সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার পর এবারই প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে প্রথমবারেই শতভাগ ব্যর্থতার মুখে পড়ল বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টিতে ৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেউই পাস করতে পারেনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা জেলার ৪টি বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এর মধ্যে শ্যামনগরের এই বিদ্যালয়টি একটি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফ বিল্লাহ বলেন, এ বছর আমাদের স্কুল থেকে নিয়মিত ৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দেয়। কেউ পাস করতে পারেনি। বিষয়টি আমাদের জন্য অবশ্যই হতাশাজনক ও আত্মসমালোচনার। তবে আমাদের শিক্ষক মন্ডলীরা শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য নিরালশ পরিশ্রম করেছে।
তিনি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠানটি প্রথম স্বনামে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এবছর আমাদের এস এস সি ব্যাচ ছিল না। বাড়ি থেকে ধরে এনে ফর্ম ফিলাপের টাকা দিয়ে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করানো হয়েছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৭৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক আছেন ১১ জন। তবে এমপিও না থাকায় তারা বিনা বেতনে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান আরিফ বিল্লাহ। শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ তেজারাত বলেন, এ বছর শ্যামনগরে এসএসসি ও সমমানে ২ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫১ জন।
তিনি বলেন, সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন পরীক্ষা দিয়ে কেউ পাস করেনি। ১১জন শিক্ষক থাকার পরও শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করার বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। কোথায় ঘাটতি আছে তা খুঁজে বের করে আগামী বছর ফল উন্নত করতে কাজ করব।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর