মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নওখণ্ডা এলাকার নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী আনিকার অকালমৃত্যুর ঘটনায় গভীর রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
আনিকার পরিবার জানায়, পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটের বড়রিয়া এলাকার ইতালি প্রবাসী সামিউল হোসেন সানি ওরফে সাগরের সঙ্গে আনিকার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। একপর্যায়ে উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের বিষয়টি মৌখিকভাবে পাকাও হয়েছিল।
তবে পরবর্তীতে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত এবং মুঠোফোনে থাকা তাদের ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য ও কথোপকথনের ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে কিশোরী আনিকা মানসিকভাবে মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এমনকি মৃত্যুর আগে আনিকা নিজের হাতে একটি ডায়েরিতে বেশ কিছু কথা লিখে গেছেন বলেও স্বজনদের দাবি।
এদিকে ঘটনাটির পেছনের প্রেক্ষাপট ও ডায়েরির কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।
একটি নিরপেক্ষ, উচ্চপর্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা।
নিহতের পরিবার ও সচেতন মহলের প্রত্যাশা, সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আনিকার এই অকালমৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হবে এবং দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হোক।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর