• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২৩ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০১:১৩ দুপুর

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, মাত্রা ৬ দশমিক ৯

ছবি: সংগৃহীত

৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প এবং তার পর পর ৩৪১টি পরাঘাত বা ‘আফটার শক’-এর মাত্র ১২ ঘণ্টা পর ফের ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইন্দোনেশিয়ায়। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে হয়েছে এ ভূমিকম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি বা এপিসেন্টার ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের অন্যতম বৃহৎ শহর পেমাতাংসিয়ানতার থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে।

উত্তর সুমাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য মেলেনি। তাছাড়া ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল বা এপিসেন্টর ছিল ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। বড় ভূমিকম্পের পর ৩৪১টি পরাঘাত বা আফটার শকও হয়েছে। তবে সেসবের মাত্রা কম ছিল।

সাগরের তলদেশে এপিসেন্টার হওয়ায় ভূমিকম্পের পর পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া দপ্তর; তবে সুনামির কেনো লক্ষণ না দেখা যাওয়ায় তিন ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করা হয়।

ব্যাপকমাত্রার এই ভূমিকম্পে পূর্ব ইন্দোনেশিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৭ জন নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে, পুরোপুরি ধসে পড়েছে কমপক্ষে ৫৪টি ভবন এবং আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও কয়েক শ’ বাড়িঘর।

সেই ধাক্কার রেশ না কাটতেই একই দিন সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা পর ফের ভূমিকম্প হলো ইন্দোনেশিয়ায়।

দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া আসলে ১ হাজার ৭০০ দ্বীপের সমষ্টি। ভৌগলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ বা রিং অব ফায়ার অঞ্চলের ওপর অবস্থানের কারণে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে ভূমিকম্প প্রায় নিয়মিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি হয়েছিল ২০০৪ সালে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার সেই ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের।

সূত্র : রয়টার্স

রোহান/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]