ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করছে পেন্টাগন। এর অংশ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, কয়েক মাস ধরে ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। কিছু ঘাঁটি আগের কাঠামোতে পুনর্নির্মাণ করা নাও হতে পারে বলে কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগনের নীতি নির্ধারণী দপ্তর এই পর্যালোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি জয়েন্ট স্টাফ ও ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
তবে পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আনুষ্ঠানিক কোনো পর্যালোচনার নির্দেশ দেননি, বরং এই প্রচেষ্টাকে তিনি ‘বিচক্ষণ পরিকল্পনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এসব বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতায় সাধারণত জর্ডান থেকে ওমান পর্যন্ত ২০টি স্থানে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকে। চলতি বছরের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে চালিয়েছে ১৩ হাজারের বেশি হামলা।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিগুলোর বেশিরভাগই উপসাগরীয় অঞ্চলে। এর মধ্যে বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে বড় সেনা ও বিমানঘাঁটি রয়েছে।
রোহান/সা.এ.
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর