• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৪ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ দুপুর

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির নতুন পরিকল্পনা

ফাইল ফটো

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আগামী নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগের মতো ধাপে ধাপে এসব নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এতদিন অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর কথা বলা হলেও এখন সম্ভাব্য ভোটগ্রহণের সময় নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য তুলনামূলক উপযোগী সময়। এর সঙ্গে এপ্রিল মাসকেও বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। তবে দুর্গাপূজা, রমজান, পাবলিক ও বার্ষিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি বলেন, কমিশন আগে অক্টোবরকে সামনে রেখে পরিকল্পনা করেছিল এবং ওই সময়ের মধ্যেই প্রস্তুতি শেষ করার লক্ষ্য ছিল। তবে বর্তমানে নভেম্বর থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ভোটের ৪৫ দিন আগে তপশিল ঘোষণা করা হবে।

অক্টোবরে ভোট না হয়ে নভেম্বর থেকে শুরু করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশন এখনো অক্টোবরকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। এর সঙ্গে পৌরসভা নির্বাচনও হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আইন-বিধি সংস্কারের কাজ চলছে

নির্বাচন কমিশনার জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে কমিশনে ফিরে এসেছে। তবে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা এবং আইন সংস্কারের বিষয়ে ইসির সুপারিশ এখনো পাঠানো হয়নি। বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা সামনে রেখেই কমিশন নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর আগে গত ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের উপযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল ইসি। মঙ্গলবার পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার তালিকা কমিশনের কাছে পৌঁছেছে।

পাঁচ ধরনের স্থানীয় নির্বাচন হবে

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি পাওয়া গেলে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে তপশিল ও ভোটের তারিখ নির্ধারণের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। ইসির সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতিও চলছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য কমিশন প্রায় সব প্রস্তুতি এগিয়ে রাখছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আইজিপি, বিজিবির মহাপরিচালক এবং আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

গত সোমবার সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে শুধু নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়; সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও প্রস্তুত থাকতে হবে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে কোন নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা চূড়ান্ত করা হবে।

ভোটের সময় নির্ধারণে আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা, পাবলিক পরীক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব বেশি বিলম্বিত হবে না বলে উল্লেখ করেন সিইসি।

তিনি বলেন, ভোটের তারিখ সরকার নির্ধারণ করবে না; এ সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচনে বিজিবি, এসআরবি ও অন্যান্য সরকারি বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। তাই তাদের প্রস্তুতির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কমিশন বিশেষভাবে নজর রাখবে।

সহিংসতা ঠেকাতে সতর্ক কমিশন

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সহিংসতামুক্ত হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও রাজনৈতিক দলগুলোর একই ধরনের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করছে কমিশন।

তার ভাষ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন একটি ব্যতিক্রমী নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের সহিংসতা চায় না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার প্রবণতা বেশি থাকায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।

ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তালিকার প্রস্তুতি

ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন ও বিধিমালা-সংক্রান্ত কিছু কাজ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মাঠপর্যায়ে বৃহস্পতিবার ভোটকেন্দ্রের সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার কথা রয়েছে। এরপর ভোটের ২৫ দিন আগে প্রতিটি স্তরের চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে এ তারিখে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৩২৬টি পৌরসভা, ৫০০টি উপজেলা এবং তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১টি জেলা পরিষদ রয়েছে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]