• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৬ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল

পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে অন্ত্রে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর যা ঘটলো

ছবি: সংগৃহীত

মাছ ধরতে গিয়ে পায়ুপথ দিয়ে জীবন্ত বাইম মাছ শরীরে ঢুকে পড়েছিল ৫৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি জেলের। প্রথমে লজ্জায় বিষয়টি কাউকে জানাননি তিনি। মাছটি নিজে থেকেই বের হয়ে যাবে—এমন আশায় ছিলেন। কিন্তু পরে তীব্র পেটব্যথা ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

সম্প্রতি International Journal of Surgery Case Reports-এ প্রকাশিত এক কেস রিপোর্টে উঠে এসেছে বিরল এই ঘটনার বিস্তারিত।

কেস রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা দেখতে পান, মাছটি অন্ত্রের দেয়াল ভেদ করে পেটের ভেতরে গুরুতর সংক্রমণ সৃষ্টি করেছে। জরুরি অস্ত্রোপচারে রোগীর কোলন থেকে প্রায় ২৬ ইঞ্চি লম্বা জীবন্ত বাইম মাছটি বের করে আনা হয়।

অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর সিগময়েড কোলনে প্রায় ৫ সেন্টিমিটার বা ২ ইঞ্চি আকারের ছিদ্র পাওয়া যায়। এর ফলে প্রাণঘাতী পেরিটোনাইটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা মাছটি অপসারণের পাশাপাশি কোলস্টমিও করেন। অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন ওই ব্যক্তি। চার দিন পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ও নেপালের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের একটি দল এ ঘটনার কেস রিপোর্ট তৈরি করে। গবেষণায় বাংলাদেশের মবিন ইবনে মকবুল, সৌমিক রায়, অমর্ত্য নারায়ণ রায় ও মোস্তফা নওয়াজ এবং নেপালের অমৃতা শ্রেষ্ঠা যুক্ত ছিলেন।

ছবি: সংগৃহীত

গবেষকদের মতে, বাইম মাছের মতো জীবন্ত প্রাণীর কারণে মানুষের অন্ত্রের দেয়াল ছিদ্র হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। এর আগে ২০০৪ সালে হংকংয়েও একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মলদ্বারে একটি বাইম মাছ প্রবেশ করিয়েছিলেন। পরে তারও গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, লজ্জা বা অস্বস্তির কারণে রোগীরা অনেক সময় চিকিৎসকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেন। এতে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যাহত হতে পারে। তাই তীব্র পেটব্যথা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর ক্ষেত্রে বিরল বা অস্বাভাবিক কারণগুলোকেও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত রোগ নির্ণয় ও অস্ত্রোপচার করা না হলে গুরুতর সংক্রমণসহ প্রাণঘাতী জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

সূত্র: লাইভ সায়েন্স

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]