বলা হয়, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আর সেই মেরুদণ্ডকে শক্ত, সুদৃঢ় ও সোজা করে দাঁড় করানোর কারিগর হলেন শিক্ষক। একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের কয়েকটি অধ্যায় পড়ান না; তিনি একজন শিক্ষার্থীর চিন্তার জগৎ তৈরি করেন, স্বপ্ন দেখতে শেখান, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সাহস জোগান এবং মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পথ দেখান। তাই শিক্ষকতা নিছক একটি চাকরি নয়—এটি মানুষের ভবিষ্যৎ নির্মাণের এক মহান দায়িত্ব।
আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বিশ্বের সব শিক্ষককে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি এদিন নিজেদের কাছেও একটি প্রশ্ন রাখা দরকার—আমরা কি আমাদের শিক্ষকদের সেই মর্যাদা দিতে পারছি, যে মর্যাদার কথা আমরা প্রতিনিয়ত বলি? আর শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সেই সহজ, সরল, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় গড়া সম্পর্কটি কি আমরা ধরে রাখতে পেরেছি?
শিক্ষক: শুধু পাঠদানকারী নন
মা-বাবা সন্তানকে পৃথিবীতে নিয়ে আসেন। আর শিক্ষক সেই সন্তানকে জ্ঞান, বিবেক ও মূল্যবোধের আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করেন। একজন শিক্ষকের হাত ধরেই একটি শিশু ধীরে ধীরে জানতে শেখে—কোনটি ভালো, কোনটি মন্দ; কোনটি ন্যায়, কোনটি অন্যায়; ব্যর্থতার পর কীভাবে আবার উঠে দাঁড়াতে হয়।
এই কারণেই শিক্ষককে বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর।
আজ আমরা যারা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছি, প্রত্যেকের জীবনেই কোনো না কোনো শিক্ষকের অবদান রয়েছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তি থেকে শুরু করে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী কিংবা কৃষিবিদ—কেউই শিক্ষক নামের মানুষটির ঋণ অস্বীকার করতে পারেন না।
একজন শিক্ষক হয়তো নিজের জীবনে বিপুল সম্পদের মালিক হননি। কিন্তু তাঁর হাতে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীরা যখন সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন, তখন তাঁদের সাফল্যের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে শিক্ষকের সবচেয়ে বড় অর্জন।
সেকালের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক: আমাদের শৈশব-কৈশোরের শিক্ষাজীবনের দিকে তাকালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের একটি ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ে। শিক্ষক ছিলেন একই সঙ্গে অভিভাবক, শাসক, বন্ধু ও পথপ্রদর্শক।
শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উঠে দাঁড়াত। শিক্ষকের প্রতি ভয় ছিল, কিন্তু সেই ভয় ছিল শ্রদ্ধার। শাসন ছিল, কিন্তু সেই শাসনের ভেতরে থাকত স্নেহ। দূরত্ব ছিল, কিন্তু সেই দূরত্ব কখনো মানবিক সম্পর্ককে অস্বীকার করত না।
পাবলিক পরীক্ষা সামনে এলে অনেক শিক্ষক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খোঁজ নিতে বাড়ি পর্যন্ত যেতেন। কোনো শিক্ষার্থী কেন স্কুলে আসছে না, কেন পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে, পরিবারের কোনো সমস্যা আছে কি না—এসব জানার চেষ্টা করতেন।
অভিভাবক হয়তো সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে চিন্তিত ছিলেন; কিন্তু শিক্ষক চিন্তা করতেন তার ভবিষ্যৎ নিয়ে।
কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় খারাপ করলে শিক্ষক শুধু নম্বর নিয়ে প্রশ্ন করতেন না; জানতে চাইতেন, কেন সে পারল না। কোনো শিক্ষার্থী হতাশ হলে তাকে উৎসাহ দিতেন। আবার প্রয়োজন হলে কঠোর শাসনও করতেন।
সেই সম্পর্কের কেন্দ্রে ছিল একটি শব্দ—বিশ্বাস।
শিক্ষার্থী বিশ্বাস করত, বিপদে পড়লে শিক্ষক পাশে থাকবেন। শিক্ষক বিশ্বাস করতেন, তাঁর শিক্ষার্থী একদিন ভালো মানুষ হয়ে উঠবে।
কী মধুর ছিল সেই সম্পর্ক!
‘শিক্ষকের মর্যাদা’—শুধু কবিতার গল্প নয়—
কৈশোরে কাজী কাদের নেওয়াজের ‘শিক্ষকের মর্যাদা’ কবিতায় পড়েছিলাম বাদশাহ আলমগীরের সেই ঘটনা। শিক্ষককে যথাযথ সম্মান না করায় নিজের সন্তানের আচরণের জন্য বাদশাহ পর্যন্ত শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
ঘটনাটি কবিতার অংশ হলেও এর মধ্যে নিহিত ছিল একটি গভীর সামাজিক শিক্ষা—জ্ঞান ও নৈতিকতার কাছে ক্ষমতাকেও মাথা নত করতে হয়।
আজ প্রশ্ন উঠতেই পারে, সেই মূল্যবোধের জায়গাটি কোথায়?
সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সমাজ বদলেছে, বদলেছে শিক্ষাব্যবস্থাও। প্রযুক্তি এসেছে, শিক্ষার সুযোগ বেড়েছে, প্রতিযোগিতা বেড়েছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের ভেতর শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের জায়গাতেও এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন।
একালের বাস্তবতা: বর্তমান সময়ে শিক্ষা ক্রমেই প্রতিযোগিতামুখী ও অনেক ক্ষেত্রে বাণিজ্যনির্ভর হয়ে উঠছে। নামিদামি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, উচ্চ বেতন, কোচিং, প্রাইভেট—শিক্ষাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশাল এক অর্থনৈতিক বলয়।
অনেক শিক্ষার্থীর কাছে শ্রেণিকক্ষের চেয়ে কোচিং সেন্টার বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পরীক্ষার ফলাফল, ভর্তি পরীক্ষা এবং প্রতিযোগিতার চাপ শিক্ষাজীবনের বড় অংশ দখল করে নিয়েছে।
এর ফলে কোথাও কোথাও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের জায়গায় তৈরি হচ্ছে লেনদেনের মানসিকতা।
শিক্ষার্থী ভাবছে—আমি অর্থ দিচ্ছি, শিক্ষক আমাকে পড়াবেন। আর কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষকও শিক্ষার্থীর প্রয়োজনের চেয়ে পারিশ্রমিককে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
অবশ্যই সব শিক্ষক এমন নন। বরং আজও দেশের অগণিত শিক্ষক আছেন, যারা সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা দিয়ে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছেন। তাঁদের কারণেই শিক্ষকতা পেশার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা এখনও অটুট।
তবে কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনা যখন পুরো শিক্ষকসমাজের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়, তখন আত্মসমালোচনার প্রয়োজন হয়।
শিক্ষক নিজেই যদি আদর্শ না হন: শিক্ষক শুধু বই পড়ান না; তাঁর আচরণও শিক্ষার্থীর কাছে একটি জীবন্ত পাঠ।
একজন শিক্ষক যদি সময়নিষ্ঠার কথা বলেন, অথচ নিজেই নিয়মিত দেরি করে প্রতিষ্ঠানে আসেন—শিক্ষার্থী কী শিখবে?
একজন শিক্ষক যদি সততার কথা বলেন, অথচ নিজের দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করেন—শিক্ষার্থী কোন আদর্শ অনুসরণ করবে?
একজন শিক্ষক যদি নকলের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন, অথচ পরীক্ষার হলে অনিয়মকে প্রশ্রয় দেন—তাহলে তাঁর কথার মূল্যই বা কতটুকু?
শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষার্থী শুধু জ্ঞান নয়, আচরণও শেখে। তাই শিক্ষককে যেমন দক্ষ হতে হবে, তেমনি হতে হবে নৈতিকতারও উদাহরণ।
একজন শিক্ষকের একটি ভালো আচরণ কোনো শিক্ষার্থীর মনে আজীবন ছাপ ফেলতে পারে। আবার একটি নেতিবাচক আচরণও তার মূল্যবোধকে প্রভাবিত করতে পারে।
শিক্ষকের মর্যাদা শুধু ফুল ও শুভেচ্ছায় নয়: আমরা প্রায়ই বলি—‘শিক্ষক জাতির বিবেক’, ‘শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর’, ‘শিক্ষক সমাজের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি’। কিন্তু শুধু শিক্ষক দিবসে ফুল, শুভেচ্ছা ও সম্মাননা দিয়ে কি শিক্ষকের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব?
বাস্তবতা হলো, শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদার সঙ্গে তাঁর অর্থনৈতিক নিরাপত্তারও গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
একজন শিক্ষক যদি বছরের পর বছর সীমিত বেতনে সংসার চালাতে হিমশিম খান, চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারেন, নিজের সন্তানের শিক্ষার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন, তাহলে তাঁর কাছ থেকে সর্বোচ্চ পেশাগত দক্ষতা প্রত্যাশা করার পাশাপাশি তাঁর জীবনযাত্রার নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
শিক্ষকের মর্যাদা শুধু বক্তৃতায় নয়, রাষ্ট্রীয় নীতি ও বাস্তব জীবনেও প্রতিফলিত হতে হবে।
যোগ্য শিক্ষককে সম্মানজনক বেতন, পেশাগত নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং স্বচ্ছ পদোন্নতির ব্যবস্থা দিতে হবে। শিক্ষকতা যেন কেবল জীবিকা অর্জনের পেশা না হয়ে তরুণ মেধাবীদের কাছে গর্বের পেশা হয়ে ওঠে—সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসবেন কীভাবে?
একটি জাতির ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করে তার শিক্ষকদের ওপর। তাই শিক্ষকতা এমন একটি পেশা হওয়া উচিত, যেখানে দেশের মেধাবী, দক্ষ ও নৈতিক মানুষগুলো আকৃষ্ট হবেন।
শুধু শিক্ষক নিয়োগ করলেই হবে না; শিক্ষককে তৈরি করতে হবে।
নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিতি, গবেষণার সুযোগ, পেশাগত উন্নয়ন এবং কাজের মূল্যায়নের একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
কারণ একজন ভালো শিক্ষক তৈরি হওয়া মানে শুধু একজন ভালো কর্মী তৈরি হওয়া নয়; একই সঙ্গে তৈরি করা শত শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।
শিক্ষার্থী কি আবার শিক্ষকের কাছে ফিরবে?
প্রযুক্তির যুগে তথ্য পাওয়া সহজ হয়েছে। একটি স্মার্টফোনেই শিক্ষার্থী পৃথিবীর নানা প্রান্তের জ্ঞানভাণ্ডারে পৌঁছে যেতে পারে। ফলে শিক্ষক আর জ্ঞানের একমাত্র উৎস নন।
কিন্তু শিক্ষক কি অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছেন?
কখনোই নয়। তথ্য মানুষকে জ্ঞানী করতে পারে, কিন্তু কোন তথ্য গ্রহণ করতে হবে, কোনটি সত্য আর কোনটি মিথ্যা, কোন জ্ঞান মানবকল্যাণে ব্যবহার করতে হবে—এই বোধ তৈরি করার ক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকা এখনও অপরিহার্য।
একজন সত্যিকারের শিক্ষক শুধু পাঠ্যসূচি শেষ করেন না। তিনি শিক্ষার্থীর চোখের ভাষা পড়েন। কে পিছিয়ে পড়ছে, কে হতাশ, কে স্বপ্ন হারিয়ে ফেলছে—তা বোঝার চেষ্টা করেন।
একজন ভালো শিক্ষক হয়তো কোনো শিক্ষার্থীর জীবনে এমন একটি বাক্য বলে দেন, যা তার পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।
কখনো একটি উৎসাহের হাত, কখনো একটি কঠোর শাসন, কখনো একটি বিশ্বাস—এসবই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্মাণে বড় ভূমিকা রাখে।
কেমন শিক্ষা চাই? আমরা এমন শিক্ষা চাই না, যেখানে শুধু পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর পাওয়া যাবে। আমরা এমন শিক্ষা চাই, যা মানুষ তৈরি করবে।
আমরা এমন শিক্ষক চাই, যিনি শুধু ‘কী পড়তে হবে’ বলবেন না; ‘কেন পড়তে হবে’ সেটিও বুঝিয়ে দেবেন।
আমরা এমন শিক্ষার্থী চাই, যে শুধু ভালো ফল করবে না; ভালো মানুষও হবে।
আমরা এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাই, যেখানে শিক্ষককে ভয় নয়—শ্রদ্ধা করা হবে; শিক্ষার্থীকে অবহেলা নয়—ভালোবাসা দেওয়া হবে।
কোচিংনির্ভর শিক্ষা নয়, শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক শিক্ষা শক্তিশালী করতে হবে। শিক্ষককে দায়িত্বশীল হতে হবে, শিক্ষার্থীকেও হতে হবে শৃঙ্খলাবদ্ধ। অভিভাবকের চিন্তাও শুধু পরীক্ষার ফলাফলকে ঘিরে থাকলে চলবে না; সন্তানের নৈতিক ও মানবিক বিকাশের দিকেও নজর দিতে হবে।
ফিরুক সম্পর্ক, ফিরুক বিশ্বাস: সেকালের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের সবকিছু হয়তো হুবহু ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, প্রয়োজনও নেই। সময় বদলেছে, শিক্ষাপদ্ধতি বদলেছে, সমাজ বদলেছে।
কিন্তু যে বিষয়টি ফিরিয়ে আনা সম্ভব, তা হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা।
শিক্ষককে তাঁর মর্যাদা দিতে হবে। শিক্ষককেও তাঁর দায়িত্ব ও নৈতিকতার জায়গায় অটল থাকতে হবে। শিক্ষার্থীকে বুঝতে হবে, শিক্ষক তার প্রতিপক্ষ নন; আবার শিক্ষককেও বুঝতে হবে, শিক্ষার্থী শুধু পরীক্ষার ফলাফলের একটি সংখ্যা নয়—সে একটি সম্ভাবনাময় জীবন।
সেই সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও রাষ্ট্র—সব পক্ষকেই এগিয়ে আসতে হবে।
কারণ একজন ভালো শিক্ষক একটি শ্রেণিকক্ষ বদলে দিতে পারেন। একজন আদর্শ শিক্ষক বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম। আর একটি আলোকিত প্রজন্ম বদলে দিতে পারে একটি দেশ।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে তাই শুধু শিক্ষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দায়িত্ব শেষ করা নয়। বরং এই দিনটি হোক আত্মজিজ্ঞাসার দিন—আমরা আমাদের শিক্ষকদের কতটা সম্মান করছি, তাঁদের কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন দিতে পারছি, আর আমাদের সন্তানদের সঙ্গে তাঁদের সেই মানবিক সম্পর্কটি ফিরিয়ে আনতে কী করছি?
শিক্ষক দিবসে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার—শিক্ষকের মর্যাদা ফিরুক, শিক্ষার মান বাড়ুক, আর শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক আবারও হয়ে উঠুক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের এক অনন্য বন্ধন।
লেখক: রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
খোলা কলাম এর সর্বশেষ খবর