চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৭ সালের এসএসসি নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় সোমবার নির্ধারিত বাংলা পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের একটি ফটোকপির দোকান থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্রটি বিক্রি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ.বি.এম. খালিদ হোসেন সিদ্দিকীকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের ‘জনি ফটোকপি’ নামের একটি দোকান থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সোমবার সকালে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার মির্জা শহিদুল ইসলাম ওই দোকানে অভিযান চালান।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি লুৎফুন নাহার বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় মিলিত হন এবং পরীক্ষা কমিটির সব সদস্যকে শোকজ করার নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম জানান, স্থগিত হওয়া বাংলা পরীক্ষাটি আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, “ঘটনার সঙ্গে কোনো শিক্ষক জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই ঘটনায় বিদ্যালয়টির পরীক্ষাব্যবস্থা ও প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর