সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। বিশেষ করে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মতো সাজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন পাননি তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি ও জোটের প্রার্থী হিসেবে এলিজা জামানকে মনোনীত করা হয়েছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মনোনয়ন পাওয়া এলিজা জামান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। পাশাপাশি তিনি পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন মেঘনা আলম। পরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি জানান।
ওই পোস্টে মেঘনা উল্লেখ করেন, জনগণের সমর্থন ও সেবার উদ্দেশ্যে শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন মেঘনা আলম। এ সময় তার পোশাক ও সাজসজ্জা প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়।
তবে খালেদা জিয়ার অনুকরণে সাজেননি বলে দাবি করেন মেঘনা। তার ভাষ্য, নিজেকে মার্জিত ও পরিপাটি করে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই সাজের সঙ্গে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর সাজের মিল পাওয়া গেলেও তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল না।
এদিকে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থী হতে না পারার বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি মেঘনা আলম।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়। পরে ওই আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর। আগামী ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৮ অক্টোবর আপিল করা যাবে এবং ২৯ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তি হবে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর। পরদিন ২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
আগামী ১২ নভেম্বর উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে একজন বৈধ প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর