ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কোষাধ্যক্ষ অফিসে কর্মরত ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ রুহুল আমিনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়িত অভিযোগে বিপক্ষে অবস্থানকারী অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।
বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাইমা হক বিদিশা বরাবর এক লিখিত অভিযোগ পত্রে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। এতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন রিয়াদুল ইসলাম (যুবাহ), রাহাত খান, আমিন আহসান ও রাফি।
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, ৩ আগস্ট তারিখে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন তৎকালীন সরকারের জুলাই গণহত্যার সমর্থনে রুহুল আমিন প্রকাশ্যে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার প্রতি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন জানান যার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অতীতে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং জুলাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিছু নেতাকে প্রশাসনিক সুবিধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এমন একজন কর্মকর্তার প্রশাসনিক পদে বহাল থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরপেক্ষতা, নৈতিক মানদণ্ড ও মুক্তচেতা ঐতিহ্যের পরিপন্থী।
তারা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই পক্ষপাতদুষ্টতা বা ফ্যাসিবাদী চিন্তার আশ্রয়স্থল হতে পারে না। আমরা বিশ্বাস করি, উপাচার্যের বিচক্ষণ নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এছাড়া এতে ২ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো- ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ রুহুল আমিনকে অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে; জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন যারা তৎকালীন সরকারের গণহত্যার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর