নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের খেলার সুযোগ বজায় রাখতে এবং আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হ্রাস করার জন্য দেশেই বিশেষ ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “ক্রিকেটারদের খেলার মধ্যে রাখার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও কিছুটা কমানোর উদ্দেশ্যে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে আলোচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবশ্যই আমাদের প্রথম প্রাধান্য নিরাপত্তা। উপদেষ্টা মহোদয় ইতিমধ্যেই বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দেশেই একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। বিসিবি সভাপতির মাধ্যমে খুব শিগগির বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।”
মাহবুব-উল-আলম আরও জানান, সরকার সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনা না করলেও, সব কার্যক্রম বিসিবির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। এই টুর্নামেন্টের বিশেষত্ব হলো, শুধু বিশ্বকাপের ১৫-২০ জন খেলোয়াড় নয়, দেশের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ও উদীয়মান ক্রিকেটাররাও এতে খেলার সুযোগ পাবেন।
সবশেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এই সচিব বলেন, জাতীয় দলে তো শুধু সীমিত সংখ্যক খেলোয়াড়। একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করলে এর বাইরেও যারা প্রমিনেন্ট ক্রিকেটার আছেন, তাদেরও নিতে হবে। যাতে সবাই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যে থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তার ইস্যুতে বিসিবির ভেন্যু পরিবর্তনের প্রস্তাবে আইসিসি সাড়া না দেওয়াতেই এ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ আসরে বাংলাদেশের খেলা হবে না বলে হতাশ বিসিবি আর দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরাও। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিসিবি এমন কিছু করতে চাচ্ছে, যাতে দেশের ক্রিকেটে কিছুটা হলেও প্রাণ থাকে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর