ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮ কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে ৭ জন প্রার্থী এর মধ্যে ৪ জন জামানত হারিয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে। ২৮ কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী-রাজীবপুর-চিলমারী ) উপজেলা নিয়ে এ আসনে মোট ভোট পড়ে দুই লাখ ২২ হাজার ৪৬৭। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৮০৮ ভোট। সে হিসেবে সাত জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন চারজন।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পাটির কে এম ফজলুল হক মন্ডল (লাঙ্গল) পেয়েছেন, দুই হাজার ১৮০ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মোঃ হাফিজুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন, ছয় হাজার ২৩১ ভোট; স্বতন্ত্র প্রার্থী রুকুনুজ্জামান (বালতি) পেয়েছেন, ২০ হাজার ৯০২ ভোট; বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর রাজু আহমেদ (কাঁচি) পেয়েছেন, ৩২০ ভোট এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক (মই) পেয়েছেন ২০১ ভোট।
২৮ কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬১ জন, নারী ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৮৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪০ ভোট, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬২.৩৪ শতাংশ।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা জমা দিতে হয়। কোন প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করে, সে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। সেই হিসাবে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত বৈধ ভোটের ন্যুনতম আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর