নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে এক পরিবারের ৪ টি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এসময় দগ্ধ হয়ে ৩ টি গরু, ৩ টি ছাগল, প্রায় ৬০ টি হাঁস-মুরগী মারা গেছে। এছাড়া ধান, চাল, ভুট্টাসহ অন্যান্য মালামাল ভস্মিভূত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ী খেজুরপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে পুটিমারী ইউনিয়নের জামায়াতের সাবেক আমীর কবিরুল ইসলাম মাস্টারের ষ্টোর ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। আগুনের লিলাহীন শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে নিমিষেই ২টি ষ্টোর ঘর, ১টি গোয়াল ঘর ও ১ টি রান্না ঘর পুড়ে ছাই হয়। এসময় গোয়াল ঘরে থাকা ৩ টি গরু, বাচ্চাসহ ৩ টি ছাগল, প্রায় ৬০ টি হাঁস-মুরগী আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছে। গুদাম ঘরে থাকা ধান, চাল, ভুট্টাসহ বিভিন্ন মালামাল ভস্মিভূত হয়। এতে প্রায় ৯ থেকে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় দেড় ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এসময় আইনশৃখংলা রক্ষায় ছিল পুলিশের একটি দল।
ক্ষতিগ্রস্থের ছেলে জামান জানান, আমার পরিবারের লোকজন ঘুমাচ্ছিল। আমার চাচাতো ভাই আগুন দেখে চিৎকার করলে এলাকাবাসী ছুটে আসে। যে ষ্টোর ঘরে কোন বিদ্যুতের লাইন বা রান্নার চুলা নেই। সেই ষ্টোর রুমে আগুন জ¦লতে থাকে। আবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অন্যান্য ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘর, পশু-পাখি, ফসল, মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমি মনে করি কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়ে পালিয়ে গেছে। এ অগ্নিকান্ডটি উদ্দেশ্য প্রনোণিত। ক্ষয়ক্ষতি ১০ লক্ষ টাকা দাবী করেন।
কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোস্তাফিজার রহমান জানান, খবর পেয়ে আমরা গিয়ে দেখতে পাই আগুনের তীব্রতা কমেছে, তবুও নিয়ন্ত্রণে আনতে দেড় ঘন্টা সময় লেগেছে। আগুনের সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর