যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতে রাজশাহীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রেলক্রসিংয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ধীরগতির নির্মাণকাজে উল্টো বাড়ছে নগরবাসীর দুর্ভোগ। দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলায় কোথাও সড়ক সরু হয়ে গেছে, কোথাও সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। ফলে ব্যস্ত সময়ে যানজটে আটকে পড়ছেন পথচারী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের চালকরা।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়কে প্রতিদিনই অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পণ্যবাহী যানবাহনের ব্যাপক চাপ থাকে। এর সঙ্গে নির্মাণকাজের কারণে সড়কের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো সময় যানজট ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের সড়কেও।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়নকাজের স্বার্থে সাময়িক দুর্ভোগ মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ চলতে থাকায় সেই সাময়িক ভোগান্তিই এখন নিত্যদিনের বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে।
একজন নিয়মিত যাতায়াতকারী বলেন, “প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। নির্মাণকাজের কারণে রাস্তা সরু হয়ে গেছে। যানজটে পড়ে অতিরিক্ত সময় নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ হলে আমাদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।” পরিবহন চালকদের ভাষ্য, আগে রেলক্রসিংয়ে ট্রেন চলাচলের সময় কিছুটা যানজট তৈরি হতো। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নির্মাণকাজের ধীরগতি। ফলে একই এলাকায় একসঙ্গে তৈরি হচ্ছে যানজট ও সড়ক ব্যবহারের বিড়ম্বনা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফ্লাইওভার নির্মাণ শেষ হলে রেলক্রসিংগুলোতে যানজট অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি যানবাহনের চলাচল হবে আরও নির্বিঘ্ন। তবে নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, বছরের পর বছর নির্মাণকাজ চলার পরিবর্তে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। একই সঙ্গে নির্মাণকালীন সময়ে সড়কে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর