৭৬ বছর ধরে ছিল সৌরজগতের নবম গ্রহ। কিন্তু ২০০৬ সালের এক বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তে বদলে গেল প্লুটোর পরিচয়। কেন এত ছোট্ট এই মহাজাগতিক বস্তুটি হারাল ‘গ্রহ’ মর্যাদা? আর সত্যিই কি বিজ্ঞানীরা প্লুটোকে ‘বাদ’ দিয়েছেন?
একসময় সৌরজগতের গ্রহের নাম মুখস্থ করতে গেলে শেষেই বলতে হতো—বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন ও প্লুটো।
তখন প্লুটো ছিল সৌরজগতের নবম গ্রহ। স্কুলের বই, বিজ্ঞানবিষয়ক পোস্টার, বিশ্বকোষ—সব জায়গাতেই তার জায়গা ছিল।
কিন্তু ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট হঠাৎ বদলে গেল সেই পরিচয়। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন বা International Astronomical Union (IAU) নতুন করে ‘গ্রহ’ শব্দটির সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। সেই সংজ্ঞায় প্লুটো আর পূর্ণাঙ্গ গ্রহ হিসেবে টিকে থাকতে পারেনি। তাকে রাখা হয় নতুন একটি শ্রেণিতে—বামন গ্রহ। তবে ‘প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া’ কথাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। বিজ্ঞানীরা প্লুটোকে সৌরজগত থেকে সরিয়ে দেননি। তার শ্রেণি বদলেছে, অস্তিত্ব নয়।
প্লুটোকে আবিষ্কার করা হয়েছিল কবে?
প্লুটো আবিষ্কৃত হয় ১৯৩০ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার লোয়েল অবজারভেটরিতে তরুণ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্লাইড টমবঘ এটি শনাক্ত করেন।
এরপর দীর্ঘ ৭৬ বছর ধরে প্লুটোকেই সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তখন অবশ্য বিজ্ঞানীদের কাছে সৌরজগতের বাইরের অংশ সম্পর্কে আজকের মতো এত তথ্য ছিল না। প্লুটোর আশপাশের অঞ্চল—বিশেষ করে কুইপার বেল্ট—সম্পর্কে পরবর্তী কয়েক দশকে যে বিপুল তথ্য পাওয়া যায়, সেটিই শেষ পর্যন্ত প্লুটোর গ্রহ-পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

সমস্যা শুরু হলো কোথায়?
প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয় যখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নেপচুনের বাইরের অঞ্চলে প্লুটোর মতো আরও অনেক বস্তু আবিষ্কার করতে শুরু করেন। বিশেষ করে কুইপার বেল্টে একের পর এক বরফময় মহাজাগতিক বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে। এর মধ্যে কিছু ছিল আকারে প্লুটোর কাছাকাছি।
এরপর ২০০৫ সালে Eris নামের একটি দূরবর্তী বস্তু আবিষ্কৃত হয়, যা প্রথমদিকে প্লুটোর চেয়েও বড় বলে মনে করা হয়েছিল। এর আবিষ্কারই ‘গ্রহ’ বলতে আসলে কী বোঝায়—এই প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে। NASA-র তথ্য অনুযায়ী, প্লুটোর কাছাকাছি আকারের আরও অনেক জগত আবিষ্কারের পর ২০০৬ সালে এর শ্রেণিবিন্যাস নতুন করে করা হয়।
কারণ যদি প্লুটোকে গ্রহ বলা হয়, তাহলে একই ধরনের আরও কয়েকটি বস্তু আবিষ্কৃত হলে সেগুলোকেও গ্রহ বলতে হবে কি না—এই প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
২০০৬ সালের আগস্টে চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগে বসেছিল IAU-এর ২৬তম সাধারণ সভা।
বিজ্ঞানীরা সেখানে সৌরজগতের ‘গ্রহ’-এর একটি আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা নির্ধারণের চেষ্টা করেন। প্রথমদিকে একটি প্রস্তাবে সৌরজগতে ১২টি গ্রহ রাখার পরিকল্পনাও সামনে এসেছিল। কিন্তু আলোচনার পর সেই প্রস্তাব বদলে যায়।
অবশেষে ২৪ আগস্ট ২০০৬ IAU-এর সদস্যরা নতুন সংজ্ঞা অনুমোদন করেন।
সেই সংজ্ঞা অনুযায়ী কোনো মহাজাগতিক বস্তুকে গ্রহ হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে—
১. সেটিকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে হবে।
২. নিজের মহাকর্ষের কারণে সেটি প্রায় গোলাকার আকৃতি ধারণ করার মতো যথেষ্ট ভরসম্পন্ন হতে হবে।
৩. তার কক্ষপথের আশপাশের অঞ্চলকে নিজের মহাকর্ষীয় প্রভাবের মাধ্যমে মূলত ‘পরিষ্কার’ করে ফেলতে হবে।
এই তৃতীয় শর্তটিই প্লুটোর জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

প্লুটো কোন শর্তে আটকে গেল?
প্লুটো প্রথম দুটি শর্ত পূরণ করে। সে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং নিজের মহাকর্ষের কারণে প্রায় গোলাকার আকৃতির। কিন্তু তৃতীয় শর্তটি সে পূরণ করে না। প্লুটো এমন একটি অঞ্চলে রয়েছে যেখানে তার কক্ষপথের আশপাশে আরও বহু বরফময় মহাজাগতিক বস্তু রয়েছে। অর্থাৎ নিজের কক্ষপথের প্রতিবেশকে সে বৃহস্পতি বা পৃথিবীর মতো মহাকর্ষীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
NASA-র ব্যাখ্যাতেও বলা হয়েছে, প্লুটো তার কক্ষপথের আশপাশের অঞ্চলকে মহাকর্ষীয়ভাবে প্রভাবশালী হয়ে ‘পরিষ্কার’ করতে পারেনি।
এখানেই আসল পার্থক্য
সহজভাবে বললে—পৃথিবী শুধু গোলাকার একটি বস্তু নয়; নিজের কক্ষপথের এলাকায় পৃথিবী তুলনামূলকভাবে প্রভাবশালী। কিন্তু প্লুটো তার কক্ষপথের অঞ্চলে একা নয়। একই ধরনের অসংখ্য বস্তু সেখানে রয়েছে। তাই নতুন সংজ্ঞায় প্লুটোকে পূর্ণাঙ্গ গ্রহ বলা হয়নি।
তাহলে প্লুটোকে কী বলা হলো?
IAU প্লুটোর জন্য নতুন পরিচয় নির্ধারণ করে—Dwarf Planet বা বামন গ্রহ।
২০০৬ সালের সিদ্ধান্তে প্লুটোকে বামন গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাকে ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অবজেক্টের একটি নতুন শ্রেণির প্রোটোটাইপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অর্থাৎ প্লুটোর গুরুত্ব একেবারেই শেষ হয়ে যায়নি। বরং তার মাধ্যমে সৌরজগতের একটি আলাদা শ্রেণির বস্তু সম্পর্কে নতুন ধারণা তৈরি হয়।
প্লুটোর সঙ্গে আর কারা বামন গ্রহ হলো?
IAU-এর ২০০৬ সালের সিদ্ধান্তে Ceres, Pluto এবং 2003 UB313-কে বামন গ্রহ শ্রেণির প্রথম সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। 2003 UB313 পরে Eris নামে পরিচিত হয়। এখানে মজার ব্যাপার হলো, Ceres আগে থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। এটি মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যবর্তী গ্রহাণু অঞ্চলে অবস্থিত। অর্থাৎ নতুন শ্রেণিবিন্যাসে প্লুটো একা নয়; বরং সৌরজগতের বিভিন্ন ধরনের ছোট কিন্তু প্রায় গোলাকার বস্তু নিয়ে আলাদা একটি শ্রেণি তৈরি হলো।
বিজ্ঞানীরা কি ভোট দিয়ে প্লুটোকে ‘ছোট’ করে ফেলেছিলেন?
এখানেও রয়েছে একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। বিজ্ঞানীরা ভোট দিয়ে প্লুটোর আকার বা ভর কমিয়ে দেননি। প্লুটো যেমন ছিল, তেমনই আছে।
বদলেছে ‘গ্রহ’ শব্দটির বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা।
আর সেই নতুন সংজ্ঞায় প্লুটো বামন গ্রহের শ্রেণিতে পড়ে। IAU-এর চূড়ান্ত ভোটে ‘Definition of Planet’ বা Resolution 5A বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়। প্লুটোকে বামন গ্রহ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার Resolution 6A পাস হয় ২৩৭ ভোটে পক্ষে, ১৫৭ ভোটে বিপক্ষে এবং ১৭ জনের বিরতিতে।
অর্থাৎ সিদ্ধান্তটি নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যেও যথেষ্ট মতপার্থক্য ছিল।

‘প্লুটোকে নিয়ে এত আবেগ কেন?’
কারণ প্লুটো শুধু একটি মহাজাগতিক বস্তু ছিল না—অনেক মানুষের শৈশবের অংশ ছিল।
১৯৩০ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৭৬ বছর ধরে এটি ছিল সৌরজগতের নবম গ্রহ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিশুরা স্কুলে প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে শিখেছে। হঠাৎ করে সেই তালিকা থেকে নামটি চলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে আবেগ তৈরি হয়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে প্লুটোকে নিয়ে ব্যাপক আবেগ দেখা যায়, কারণ এর আবিষ্কারক ক্লাইড টমবঘ ছিলেন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
তবে ‘গোটা বিশ্ব ক্ষুব্ধ হয়েছিল’—এমন দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে মাপা যায় না। বরং বলা ভালো, প্লুটোর গ্রহ-পরিচয় বদলানো বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা, বিতর্ক ও জনআবেগ তৈরি করেছিল।
প্লুটো কি আসলে খুব ছোট?
হ্যাঁ।. প্লুটো পৃথিবীর তুলনায় অত্যন্ত ছোট। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় এক-পঞ্চমাংশের কাছাকাছি। এমনকি আমাদের চাঁদের চেয়েও প্লুটো ছোট।তবে ছোট হওয়াই তাকে গ্রহের তালিকা থেকে সরানোর একমাত্র কারণ নয়। আসল বিষয় হলো তার কক্ষপথের আশপাশের মহাকর্ষীয় আধিপত্য।
এটাই নতুন সংজ্ঞার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্লুটোর কক্ষপথও অদ্ভুত
প্লুটোর কক্ষপথ অন্যান্য আট গ্রহের তুলনায় অনেক বেশি উপবৃত্তাকার। এমনকি একটি সময় প্লুটো সূর্যের কাছাকাছি এসে নেপচুনের চেয়েও সূর্যের কাছে অবস্থান করতে পারে।
তবে দুটি গ্রহের কক্ষপথ এমনভাবে বিন্যস্ত যে তারা সরাসরি সংঘর্ষের পথে নেই।প্লুটোর এই অদ্ভুত কক্ষপথও তাকে অন্য গ্রহগুলোর থেকে আলাদা করে।
২০১৫ সালে NASA-র New Horizons মহাকাশযান প্লুটোর কাছ দিয়ে উড়ে যায়। সেই অভিযানে প্লুটোর পৃষ্ঠের অসাধারণ ছবি পাওয়া যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল বিশাল হৃদয়-আকৃতির উজ্জ্বল অঞ্চল। প্লুটোর পৃষ্ঠে রয়েছে পাহাড়, সমভূমি, গর্ত, হিমবাহ ও অন্যান্য জটিল ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য। NASA-ও প্লুটোকে একটি জটিল ও বৈচিত্র্যময় পৃথিবী হিসেবে বর্ণনা করে।
অর্থাৎ ‘বামন গ্রহ’ নামটি শুনে প্লুটোকে নিছক ছোট, মৃত পাথর ভাবলে ভুল হবে।
তাহলে কি একদিন প্লুটো আবার গ্রহ হতে পারে?
এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানে একটি আলোচিত প্রশ্ন। বর্তমানে IAU-এর ২০০৬ সালের সংজ্ঞাই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংজ্ঞা, এবং সেই অনুযায়ী প্লুটো বামন গ্রহ। IAU-এর নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী এই সংজ্ঞা এখনও কার্যকর রয়েছে। তবে বিজ্ঞান স্থির কোনো বিষয় নয়। নতুন পর্যবেক্ষণ, নতুন তত্ত্ব বা নতুন সংজ্ঞা ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে আবার আলোচনা তৈরি করতে পারে।
কিন্তু বর্তমানে প্লুটোকে পূর্ণাঙ্গ গ্রহ হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়নি।
প্লুটোকে ‘গ্রহ’ না বললে কি তার গুরুত্ব কমে গেছে?
বরং প্লুটোর গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক শিক্ষা দেয়—বিজ্ঞান শুধু তথ্য মুখস্থ করার বিষয় নয়; নতুন তথ্য এলে পুরোনো ধারণাও বদলাতে পারে। ১৯৩০ সালে প্লুটোকে নবম গ্রহ হিসেবে আবিষ্কার করা হয়েছিল। ৭৬ বছর পর নতুন মহাজাগতিক বস্তু ও নতুন পর্যবেক্ষণের কারণে বিজ্ঞানীরা ‘গ্রহ’ শব্দটির সংজ্ঞাই নতুন করে নির্ধারণ করলেন।
ফলে প্লুটোর পরিচয় বদলে গেল। কিন্তু প্লুটো রয়ে গেল সৌরজগতের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক বস্তু।
তাহলে এখন সৌরজগতে গ্রহ কয়টি?
বর্তমান IAU সংজ্ঞা অনুযায়ী সৌরজগরে আটটি গ্রহ—বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। আর প্লুটো রয়েছে বামন গ্রহ হিসেবে। অর্থাৎ স্কুলে শেখা ‘নবম গ্রহ প্লুটো’ গল্পটি এখন ইতিহাসের অংশ। ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট প্লুটোকে মহাকাশ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়নি। তার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করাও বন্ধ হয়নি। তার আকারও বদলায়নি।
শুধু বিজ্ঞানীরা বললেন—‘গ্রহ’ হওয়ার জন্য শুধু গোলাকার হলেই হবে না; নিজের কক্ষপথের আশপাশেও যথেষ্ট মহাকর্ষীয় আধিপত্য থাকতে হবে।
প্লুটো প্রথম দুটি শর্ত পূরণ করলেও তৃতীয়টি পূরণ করে না। তাই সে হারিয়েছে ‘নবম গ্রহ’ পরিচয়, পেয়েছে ‘বামন গ্রহ’ পরিচয়। আর হয়তো এখানেই প্লুটোর গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি—কখনো কখনো কোনো কিছুর গুরুত্ব কমে না, শুধু তার পরিচয়ের সংজ্ঞা বদলে যায়।
তথ্যসূত্র:
International Astronomical Union : ২০০৬ সালের গ্রহের সংজ্ঞা ও প্লুটোকে বামন গ্রহ হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস।
NASA Science: প্লুটোর ইতিহাস, ২০০৬ সালে শ্রেণিবিন্যাস পরিবর্তন এবং প্লুটোর বৈশিষ্ট্য।
NASA/JPL:‘Planet’ শব্দটির নতুন সংজ্ঞা এবং প্লুটোর কক্ষপথ-সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য।
IAU Pluto and the Solar System: প্লুটোর শ্রেণিবিন্যাসের বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপট ও ২০০৬ সালের সিদ্ধান্ত।
MIT News: ২৪ আগস্ট ২০০৬-এর IAU সিদ্ধান্ত ও গ্রহের নতুন সংজ্ঞা নিয়ে প্রতিবেদন।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
ভিন্ন স্বাদের খবর এর সর্বশেষ খবর