রাজধানীর আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে জমা হওয়া বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে চীন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে আমিনবাজারের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পসহ দুই দেশের বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় চীনা পক্ষ প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়।
বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, আগামী দেড় বছরের মধ্যে আমিনবাজারের বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি জানান, প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে প্রাথমিক চুক্তিও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের চূড়ান্ত অর্থায়ন চুক্তি বিনিয়োগকারী ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং বাংলাদেশের অংশীজনদের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
আমিনবাজারের মতো বড় ল্যান্ডফিলে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের নতুন একটি উৎস যুক্ত হবে। একই সঙ্গে পরিবেশের ওপর বর্জ্যের নেতিবাচক প্রভাব কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মোংলা বন্দর উন্নয়নেও চীনের আগ্রহ রয়েছে।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর