মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা কিংবা কোরআন শরিফ কেনার জন্য অর্থ দান করাকে মুসলমানরা সওয়াবের কাজ হিসেবে বিবেচনা করেন। কিন্তু সেই অর্থ যদি আসে ঘুষ, সুদ, প্রতারণা কিংবা অন্যের সম্পদ আত্মসাতের মাধ্যমে, তাহলে কী হবে? হারাম উপার্জনের অর্থ দিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললে কি সেই অর্থ পবিত্র হয়ে যায়? দাতা কি সওয়াব পান? আর মসজিদ-মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষই বা এমন অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন কি? ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে অর্থের উৎস, মালিকানা এবং অন্যের অধিকার জড়িত আছে কি না, তার ওপর।
মসজিদ মুসলমানদের ইবাদতের স্থান, আর মাদ্রাসা দ্বীনি শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র। এসব প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ, উন্নয়ন ও পরিচালনায় মুসলমানরা সাধ্যমতো অর্থ দান করেন। কিন্তু দানের উদ্দেশ্য ভালো হলেই যে অর্থের উৎস নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না, বিষয়টি এমন নয়।
অনেকের ধারণা, হারাম উপার্জনের টাকা মসজিদ-মাদ্রাসায় ব্যয় করলে তা পবিত্র হয়ে যায়। কেউ কেউ আবার মনে করেন, এ ধরনের অর্থ কোনো ভালো কাজে ব্যয় করাই যাবে না। বাস্তবে বিষয়টি বুঝতে হলে অর্থ কীভাবে অর্জিত হয়েছে, এর প্রকৃত মালিক কে এবং সেই অর্থের সঙ্গে অন্য কারও অধিকার জড়িত কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি।
ইসলামের মূলনীতি হলো, ভালো কাজের জন্য ব্যয় করার পাশাপাশি সম্পদের উৎসও বৈধ হতে হবে। অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে তা দান করলেই যেমন মালিকের অধিকার আদায় হয় না, তেমনি হারাম উপার্জনের অর্থ ব্যয় করলেই উপার্জনের গুনাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় না।
ইসলামে উপার্জনের পবিত্রতা এবং দানের ক্ষেত্রে সম্পদের বৈধতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা যা উপার্জন করেছ, তার পবিত্র বস্তুগুলো থেকে এবং আমি তোমাদের জন্য ভূমি থেকে যা উৎপন্ন করেছি, তা থেকে ব্যয় কর।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৭)
এই আয়াতের শিক্ষা হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যয় করতে হলে সম্পদের উৎসের প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু অর্থ ব্যয়ের উদ্দেশ্য ভালো হলেই তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না।
অর্থাৎ, কেউ যদি অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে তা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেন কিংবা মাদ্রাসার উন্নয়নে সহযোগিতা করেন, তাহলে শুধু দান করার কারণে তাঁর উপার্জন বৈধ হয়ে যাবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
হারাম সম্পদ থেকে দানের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস রয়েছে। তিনি বলেছেন,
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র; তিনি পবিত্র বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১০১৫)
হাদিসটি থেকে বোঝা যায়, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য দান করার ক্ষেত্রে সম্পদের পবিত্রতা গুরুত্বপূর্ণ।
তাই কেউ যদি ঘুষ, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে সেই অর্থ মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করেন, তাহলে শুধু দানের কাজটি সম্পন্ন হওয়ার কারণে তাঁর গুনাহ মাফ হয়ে গেছে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দায়িত্ব হলো, অবৈধ উপার্জনের পথ পরিত্যাগ করা, আন্তরিকভাবে তওবা করা এবং অন্যের অধিকার নষ্ট হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া।
তবে হারাম অর্থের মালিকানা ও নিষ্পত্তির বিধান সব ক্ষেত্রে এক নয়। তাই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অর্থটি কীভাবে ব্যয় বা ফেরত দিতে হবে, সে বিষয়ে শরিয়তের বিধান বিবেচনা করা জরুরি।
হারাম উপার্জনের অর্থ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন—সব অবৈধ অর্থের ক্ষেত্রে নিষ্পত্তির পদ্ধতি একই নয়। অর্থটি অন্যের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে নেওয়া হয়েছে, নাকি সুদের মতো নিষিদ্ধ লেনদেন থেকে এসেছে, তার ওপর বিধান নির্ভর করতে পারে।
কেউ যদি চুরি, জালিয়াতি, প্রতারণা কিংবা আত্মসাতের মাধ্যমে অন্যের অর্থ গ্রহণ করেন, তাহলে প্রথম দায়িত্ব হলো সেই অর্থ প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়া। মালিক জীবিত থাকলে তাঁকে অর্থ ফেরত দিতে হবে। তিনি মারা গেলে তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা আমানত তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দেবে।’ (সুরা আন-নিসা, আয়াত ৫৮)
সুতরাং, অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে তা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ বা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করলে প্রকৃত মালিকের অধিকার আদায় হয়ে যায় না। জনকল্যাণে অর্থ ব্যয় করা হলেও অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণের দায় থেকে মুক্ত হওয়া যায় না।
এ ধরনের অর্থের ক্ষেত্রে দানের চেয়ে প্রকৃত মালিকের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াই অগ্রাধিকার পাবে।
ইসলামে সুদ নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত ২৭৫)
সুদের মাধ্যমে অর্জিত অতিরিক্ত অর্থকে নিজের বৈধ উপার্জন হিসেবে ভোগ করার অনুমতি নেই। তবে এ অর্থ কীভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূলধনের মালিকানা, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হয়।
কোনো অর্থের প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা সম্ভব না হলে কিংবা অর্থটি ফেরত দেওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকলে, তা থেকে দায়মুক্ত হওয়ার জন্য দরিদ্র বা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের বিষয়ে আলেমদের নির্দেশনা অনুসরণ করা যেতে পারে।
তবে সুদের অর্থ দিয়ে মসজিদ নির্মাণ, মসজিদের নিয়মিত ব্যয় নির্বাহ কিংবা মাদ্রাসার ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার বিধান নিয়ে ফিকহি আলোচনায় বিভিন্ন দিক বিবেচনা করা হয়। তাই অর্থের উৎস ও পরিস্থিতি না জেনে সব ক্ষেত্রে একই সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়। নির্দিষ্ট বিষয়ে নির্ভরযোগ্য মুফতির পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ঘুষের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনও ইসলামে নিষিদ্ধ। ঘুষের কারণে যদি কারও ন্যায্য অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে সম্পদ লাভ করেন কিংবা সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ঘুষের অর্থ মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করলেই ঘুষ গ্রহণের গুনাহ দূর হয়ে যায় না। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবৈধ লেনদেন থেকে ফিরে আসতে হবে, অনুতপ্ত হয়ে তওবা করতে হবে এবং অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়ে থাকলে তা যথাসম্ভব ফিরিয়ে দিতে হবে।
অর্থাৎ, দানকে ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের দায় থেকে মুক্ত হওয়ার স্বয়ংক্রিয় উপায় হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
এ প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে অর্থ উপার্জনকারী ব্যক্তির দায় এবং অর্থ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের অবস্থানকে আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে। যদি কোনো অর্থ চুরি, আত্মসাৎ বা প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত হয় এবং তার প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা যায়, তাহলে সেই অর্থ মালিককে ফিরিয়ে দেওয়াই মূল কর্তব্য। মসজিদ বা মাদ্রাসা সেই অর্থ গ্রহণ করলেও প্রকৃত মালিকের অধিকার বাতিল হয়ে যায় না।
অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে অর্থের প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না কিংবা অর্থটি এমনভাবে অর্জিত হয়, যার নিষ্পত্তি সম্পর্কে আলাদা শরয়ি নির্দেশনা প্রয়োজন। এসব ক্ষেত্রে অর্থটি কীভাবে ব্যয় করা যাবে, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি ও ফিকহি বিধান বিবেচনা করতে হয়।
এ ধরনের অর্থ দরিদ্র বা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের অনুমতি থাকলেও তা সব ক্ষেত্রে মসজিদ-মাদ্রাসায় ব্যয় করা যাবে—এমন সাধারণ সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়।
বিশেষ করে অর্থের উৎস সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা থাকলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা। অর্থটি অন্যের আত্মসাৎ করা সম্পদ হলে তা গ্রহণ করে ব্যয় করার পরিবর্তে প্রকৃত মালিকের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তির অধিকাংশ আয় হারাম—এমন তথ্য নিশ্চিতভাবে জানা থাকলে তাঁর কাছ থেকে দান গ্রহণের বিধান নির্ধারণে আলেমের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে। আবার কারও আয় সম্পর্কে কেবল সন্দেহ বা গুজব থাকলেই তাঁকে হারাম উপার্জনকারী বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
হারাম উপার্জন থেকে মুক্ত হওয়ার উপায়
কেউ যদি অতীতে অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে থাকেন, তাহলে শুধু সেই অর্থ দান করাই যথেষ্ট নয়। ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।
প্রথমত, অবৈধ উপার্জন বন্ধ করা। ঘুষ, প্রতারণা, আত্মসাৎ কিংবা অন্য কোনো হারাম উপার্জনের পথ থেকে ফিরে আসতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আন্তরিকভাবে তওবা করা। নিজের অন্যায়ের জন্য অনুতপ্ত হতে হবে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে সেই অপরাধে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।
তৃতীয়ত, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের প্রকৃত মালিক জানা থাকলে তাঁকে বা তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারীদের অর্থ ফিরিয়ে দিতে হবে। সরাসরি ফেরত দেওয়া সম্ভব না হলে শরিয়তসম্মত উপায় জানতে নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নিতে হবে।
চতুর্থত, মালিককে শনাক্ত করা না গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া। প্রয়োজনীয় চেষ্টা করেও প্রকৃত মালিককে খুঁজে পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট অর্থ কীভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে, তা আলেমের পরামর্শে নির্ধারণ করা উচিত।
পঞ্চমত, হালাল উপার্জনের পথে ফিরে আসা। ভবিষ্যৎ জীবিকা বৈধ করা তওবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু অবৈধ অর্থ দান করলেই উপার্জনের পদ্ধতি পরিবর্তনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
দানের আগে উপার্জনের পবিত্রতা নিশ্চিত করা জরুরি
মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসার উন্নয়ন, কোরআন শরিফ কেনা কিংবা দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করা নিঃসন্দেহে মহৎ উদ্যোগ। এসব কাজে মানুষের অংশগ্রহণ ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে ভালো কাজের উদ্দেশ্য কখনো অবৈধ উপার্জনকে বৈধ করে দেয় না। অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে তা মসজিদে দান করলে প্রকৃত মালিকের অধিকার আদায় হয় না। একইভাবে, সুদ বা ঘুষের অর্থ দান করলেই সংশ্লিষ্ট গুনাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় না।
অন্যদিকে, কারও সম্পদের উৎস সম্পর্কে শুধু সন্দেহ বা গুজবের ভিত্তিতে তাঁকে দোষারোপ করাও অনুচিত। প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্থের প্রকৃত উৎস, মালিকানা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সততা ও শরিয়তসম্মত নীতির অনুসরণ জরুরি। কোনো নির্দিষ্ট অর্থ গ্রহণ করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকলে অনুমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ইসলামের শিক্ষা হলো, শুধু ভালো কাজে অর্থ ব্যয় করাই যথেষ্ট নয়; সেই অর্থের উৎস বৈধ হওয়া এবং মানুষের অধিকার যথাযথভাবে আদায় করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই হারাম উপার্জন থেকে মুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম দায়িত্ব হলো অবৈধ পথ পরিত্যাগ করা, আন্তরিকভাবে তওবা করা এবং অন্যের অধিকার নষ্ট হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল উপার্জন, পবিত্র সম্পদ থেকে দান এবং মানুষের অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর