বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ ও তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার দাম্পত্য জীবন নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। অভিনেতার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন সুনীতা। এবার সেই অভিযোগের জবাব দিয়ে গোবিন্দের দাবি, কেউ তার স্ত্রীকে প্রভাবিত করছেন। তবে সেই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি অভিনেতা।
সম্প্রতি এবিপি লাইভকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ বলেন, কাউকে বিব্রত বা অপদস্থ করা তার স্বভাব নয়। সাত-আট বছর আগেই তিনি বলেছিলেন, এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন। এখন সবাই যেন সেই একই চক্রে আটকে পড়েছেন। অভিনেতার কথায়, আমার নামের সঙ্গে বদনাম তো বরাবরই জড়িয়ে আছে। বছরের পর বছর মানুষ আমাকে বলেছে, একদিন আমি তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করব।
গোবিন্দের দাবি, তাকে ও সুনীতাকে ঘিরে একধরনের খেলা চলছে। তার ধারণা, কেউ সুনীতাকে প্রভাবিত করছেন। তবে এ নিয়ে সরাসরি পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে জড়াতে চান না তিনি। বরং পরিস্থিতি শান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান। গোবিন্দ বলেন, যারা সুনীতাকে প্রভাবিত করছেন, তারা ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি অভিযোগগুলো এড়িয়ে যাবেন। তার বিশ্বাস, সময় পেরিয়ে গেলে মানুষ বুঝবে, তিনি সম্মান বজায় রেখেই পরিস্থিতি সামলেছেন। তার ভাষায়, তিক্ততা দিয়ে কখনো মিষ্টতা তৈরি হয় না। একই সঙ্গে স্ত্রীর অবদানও স্বীকার করেছেন অভিনেতা। তাঁদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সুনীতাকে অসম্মান করতে চান না বলেই জানিয়েছেন তিনি।
১৯৮৭ সালে বিয়ে করেন গোবিন্দ ও সুনীতা। তাদের দুই সন্তান মেয়ে টিনা ও ছেলে যশবর্ধন। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেতার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন সুনীতা। বিশেষ করে গোবিন্দের ‘রূপা’ ছবির সহ-অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকরের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে আলোচনা চলছে।
গত মাসে মুম্বাইয়ের লালবাগচা রাজা মণ্ডপে কোমলের সঙ্গে গোবিন্দকে দেখা যায়। একই দিন এর আগে সেখানে একাই গিয়েছিলেন সুনীতা। তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এরপর কোমলও ইনস্টাগ্রামে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন। সেখানে তিনি ভাঙা সংসারে কাউকে ‘সংসারভাঙানি’ বলা নিয়ে মন্তব্য করেন। তবে পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি।
স্বাধীন/সা.এ.
সর্বশেষ খবর