• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১০ সেকেন্ড পূর্বে
মোঃ আসাদুজ্জামান
বরগুনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২৩ দুপুর

বরগুনার তালতলীতে দেড় কোটি টাকার বাধ টিকলো ৪৫ দিন, ঝুঁকিতে ১৫ গ্রাম

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

মাত্র ৪৫ দিন! ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত বেড়িবাঁধ টিকলো মাত্র দেড় মাস। বরগুনার তালতলীতে পায়রা নদীর ভাঙন রোধে নির্মিত এই বাঁধ এখন নিজেই ভাঙনের মুখে।

উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া-নলবুনিয়া এলাকায় গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু ৩ নভেম্বর সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৩০০ মিটার জিও ব্যাগ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় ২০০ মিটার অংশে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ফাটল।

এতে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশের আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ৫৯০ মিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার ও জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ ৫টি প্যাকেজে পায় মেসার্স পপুলার কনস্ট্রাকশন, মেসার্স আর.এস. কনস্ট্রাকশন, মেসার্স সোহেল এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মনি ট্রেডার্স। এসব কাজের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৪৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।

কাজ শুরুর পর থেকেই স্থানীয়রা নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত নিয়ম না মেনে জিও ব্যাগে পর্যাপ্ত বালু বা পাথর ব্যবহার না করে নামমাত্র বালু ও মাটি দিয়ে ডাম্পিং করা হয়েছে। এছাড়া ভেকু দিয়ে বাঁধসংলগ্ন নদীর তীর থেকে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করায় অল্প সময়ের মধ্যেই বাঁধের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে পায়রা নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে পারে। এতে তেঁতুলবাড়িয়া, বড় অঙ্কুজান, নলবুনিয়া ও আগাপাড়াসহ ১৫টি গ্রামের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাঁধের ধসের বিষয়ে মেসার্স সোহেল এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মনি ট্রেডার্সের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মেসার্স পপুলার কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী লিমন ধসের জন্য নদীর মোহনাকে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে মেসার্স আর.এস. কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী রাসেল বাঁধের একটি অংশে ধসের কথা স্বীকার করে এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হান্নান প্রধান বলেন, নদীর তলদেশ থেকে ভাঙন শুরু হওয়ায় জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। টেকসই সমাধানের জন্য ডিপিপি পাঠানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পের কাজের গুণগত মান ও অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ দ্রুত সংস্কার করে ১৫টি গ্রামের মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

স্বাধীন/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]