ইয়েমেনে ইরানসমর্থিত হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার পর জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রধানরা। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানরা শিগগিরই একটি জরুরি সামরিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইয়েমেনের হুতিরা ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। দেশটিতে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুতিদের দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার ঘটনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ফিরে আসতে হবে বলে তারা আশা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমেরিকানরা এমওইউতে ফিরে আসুক।’
অন্যদিকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের নীতিগুলো ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব ও জীবনকে হুমকির মুখে ফেলছে। তার ভাষ্য, এসব পদক্ষেপ দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে দুর্বল করার চেয়েও গুরুতর।
জাতিসংঘের একই অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার সিদ্ধান্তের পক্ষে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার নেওয়া ‘সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্তগুলোর একটি’ ছিল।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কক্ষ থেকে কয়েক ডজন কূটনীতিক বেরিয়ে যান বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর