• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২৯ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৪০ বিকাল

পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি করায় ৩৪৪ কোটি টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ছয়টি কোম্পানিকে ১ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন পেসো জরিমানা করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৪৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পেঁয়াজ আমদানিকারক, সংরক্ষণ ও পরিবহন খাতের এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে যোগসাজশের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিপাইন কম্পিটিশন কমিশন (পিসিসি) বুধবার জানায়, ২০১৬ সালে কমিশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটিই তাদের আরোপ করা সবচেয়ে বড় জরিমানা। কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে পেঁয়াজ আমদানি, হিমাগারে সংরক্ষণ এবং পাইকারি বিতরণে অবৈধভাবে বাজার ভাগাভাগির পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

২০২২ সালে ফিলিপাইনে পেঁয়াজের দাম রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছায়। দেশটির রান্নায় বহুল ব্যবহৃত এই সবজির দাম প্রতি কেজি ৮০০ পেসোতে ওঠে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৫৬০ টাকা। ওই দাম দেশটির দৈনিক ন্যূনতম মজুরিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল এবং মাংসের দামের চেয়েও বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

পেঁয়াজের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের ওপর চাপ তৈরি করে। খাদ্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা মার্কোস সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেন। একই সঙ্গে পেঁয়াজের সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

২০২২ সালের শেষ ভাগ থেকে ২০২৩ সালের শুরুর কয়েক মাসে দেশটিতে পেঁয়াজের সংকট এতটাই তীব্র হয় যে বিভিন্ন রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকা থেকেও পেঁয়াজ বাদ পড়ে। এ সময় পেঁয়াজ চোরাচালানের চেষ্টার ঘটনাও সামনে আসে। এমনকি পেঁয়াজের দাম এত বেড়ে যায় যে এক অনুষ্ঠানে এটিকে বিয়ের ফুলের তোড়া হিসেবেও ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। পরে ২০২৩ সালে স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন বাজারে আসতে শুরু করলে সংকট কমে এবং দাম স্থিতিশীল হয়।

ফিলিপাইন কম্পিটিশন কমিশনের দাবি, অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে পাওয়া প্রমাণে দেখা গেছে, ছয়টি প্রতিষ্ঠান ২০২০ ও ২০২১ সালে পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনুমোদিত ছাড়পত্রের প্রায় ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে আমদানি, হিমাগারে সংরক্ষণ এবং পাইকারি বিতরণে অবৈধভাবে বাজার ভাগাভাগির পরিকল্পনায় যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, এই জরিমানা অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে কার্টেল বা যোগসাজশের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভোক্তাদের সুরক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। পাশাপাশি অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দেশটির বিচার বিভাগের মাধ্যমে ফৌজদারি মামলাও হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি ও ফিলিপাইন কম্পিটিশন কমিশন (পিসিসি)।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]