• ঢাকা
  • ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:২৩ বিকাল

গোল্লাছুট-ডাংগুলি এখন স্মৃতি, হারিয়ে যাচ্ছে শৈশবের চেনা আনন্দ

ছবি: প্রতিকী ছবি

গোল্লাছুট, ডাংগুলি, দাঁড়িয়াবান্ধা, বৌচি কিংবা কানামাছি—একসময় এসব খেলায় মুখর থাকত বাংলার গ্রাম। বিকেল হলেই মাঠে নামত শিশু-কিশোরের দল, বাড়ির উঠানে বসত খেলার আসর। জয়ের আনন্দ, হেরে যাওয়ার অভিমান আর বন্ধুদের সঙ্গে খুনসুটিতে কেটে যেত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সময় বদলেছে, বদলেছে বিনোদনের ধরন। স্মার্টফোন, ভিডিও গেম আর ঘরকেন্দ্রিক জীবনের ভিড়ে অনেক ঐতিহ্যবাহী খেলা আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। যে খেলাগুলো ছিল শৈশবের আনন্দ আর সামাজিক বন্ধনের অংশ, সেগুলো কি একসময় শুধু গল্প আর স্মৃতিতেই বেঁচে থাকবে?

একসময় গ্রামবাংলার বিকেল মানেই ছিল অন্য রকম এক ব্যস্ততা। স্কুল থেকে ফিরে বইখাতা রেখে কেউ ছুটত মাঠে, কেউ বন্ধুদের ডাকতে যেত পাশের বাড়িতে। বাড়ির উঠান, পুকুরপাড় কিংবা গ্রামের ফাঁকা জমিতে অল্প সময়ের মধ্যেই জমে উঠত খেলার আসর। কোথাও গোল্লাছুটের দল প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে ছুটছে, কোথাও ডাংগুলির আঘাতে ছোট্ট কাঠি উড়ে যাচ্ছে দূরে। একটু দূরে কয়েকজন মাটিতে ঘর এঁকে খেলছে এক্কা-দোক্কা। অন্যদিকে কানামাছির চোখ বাঁধা খেলোয়াড় বন্ধুদের খুঁজে বেড়াচ্ছে।

এসব খেলায় অংশ নিতে দামি সরঞ্জাম লাগত না। প্রয়োজন হতো সামান্য জায়গা, কয়েকজন সঙ্গী আর অফুরন্ত আনন্দ।

খেলার মধ্যেই তৈরি হতো বন্ধুত্ব, দলগত বোঝাপড়া এবং জেতা-হারার অভিজ্ঞতা। কখনো নিয়ম নিয়ে তর্ক, কখনো সামান্য অভিমানে খেলা ছেড়ে চলে যাওয়া, আবার কিছুক্ষণ পর সব ভুলে একই দলে ফিরে আসা—এসবই ছিল শৈশবের স্বাভাবিক দৃশ্য। আজকের শিশুদের অনেকের শৈশবেও খেলাধুলা আছে, তবে তার বড় একটি অংশ চলে গেছে ডিজিটাল পর্দায়। ফলে মাঠকেন্দ্রিক লোকজ খেলাগুলোর সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় অনেক জায়গায় কমে আসছে।

ছবি: সংগৃহীত

গোল্লাছুট: দৌড়, বুদ্ধি আর দলগত কৌশল

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোর মধ্যে গোল্লাছুটের অবস্থান বিশেষ। খোলা জায়গায় কয়েকজন মিলে সহজেই এ খেলার আয়োজন করা যায়।

সাধারণত একটি নির্দিষ্ট জায়গাকে কেন্দ্র বা ঘাঁটি ধরে খেলাটি শুরু হয়। এক দলের খেলোয়াড়েরা প্রতিপক্ষের বাধা এড়িয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য স্পর্শ করে আবার ঘাঁটিতে ফেরার চেষ্টা করেন। অন্য দলের কাজ থাকে তাঁদের আটকে দেওয়া। অঞ্চলভেদে খেলার নিয়মে পার্থক্য দেখা যায়।

গোল্লাছুটে দ্রুত দৌড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হয় সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রতিপক্ষের গতিবিধি বোঝা এবং সতীর্থদের সঙ্গে সমন্বয় রাখার দক্ষতা। একসময় গ্রামের বিকেলে এই খেলা ঘিরে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস দেখা যেত। এখন অনেক জায়গায় গোল্লাছুটের সেই পরিচিত দৃশ্য আর সহজে চোখে পড়ে না।

ছবি: সংগৃহীত

ডাংগুলি: দুই কাঠিতে জমত লড়াই

দুটি সাধারণ কাঠিই ছিল ডাংগুলি খেলার মূল উপকরণ। একটি ছোট কাঠি এবং একটি অপেক্ষাকৃত লম্বা কাঠি দিয়ে খেলাটি খেলা হয়।

ছোট কাঠিটিকে মাটিতে রেখে লম্বা কাঠির সাহায্যে আঘাত করে ওপরে তোলা হয়। এরপর সেটিকে দূরে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা কাঠিটি ধরতে পারলে কিংবা স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে খেলার ফল নির্ধারিত হয়।

খেলাটিতে হাতের নিপুণতা, চোখ ও হাতের সমন্বয় এবং আঘাতের সঠিক কৌশল গুরুত্বপূর্ণ। ডাংগুলির আকর্ষণ ছিল এর সরলতায়। বিশেষ কোনো সরঞ্জাম কিনতে হতো না; গ্রামের আশপাশ থেকেই খেলার উপকরণ সংগ্রহ করা যেত।

তবে কাঠির আঘাতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই খেলাটি আয়োজনের সময় পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা এবং নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিত করা জরুরি।

ছবি: সংগৃহীত

দাঁড়িয়াবান্ধা: প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দেওয়ার খেলা

দাঁড়িয়াবান্ধা ছিল কৌশলনির্ভর একটি দলগত খেলা। মাঠের মাটিতে নির্দিষ্ট রেখা টেনে খেলার ক্ষেত্র তৈরি করা হতো। এক দলের খেলোয়াড়েরা রেখা বা নির্ধারিত জায়গা পাহারা দিতেন, অন্য দলের খেলোয়াড়েরা তাঁদের বাধা এড়িয়ে সামনে এগোনোর চেষ্টা করতেন।

খেলার ধরন ও নিয়ম অঞ্চলভেদে আলাদা হতে পারে। তবে প্রতিপক্ষের নজর এড়িয়ে সঠিক সময়ে এগিয়ে যাওয়া এবং দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করাই ছিল এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

এ খেলায় শুধু দ্রুত দৌড়ালেই হতো না; প্রতিপক্ষের গতিবিধি বুঝে কৌশল বদলাতে হতো। কখন এগোতে হবে, কখন পিছু হটতে হবে, আর কখন সতীর্থকে সুযোগ করে দিতে হবে—এসব সিদ্ধান্তই খেলার উত্তেজনা বাড়িয়ে দিত।

গ্রামের খোলা মাঠে একসময় এমন প্রতিযোগিতা ছিল পরিচিত দৃশ্য। মাঠের অভাব ও খেলাধুলার পরিবর্তিত অভ্যাসের কারণে অনেক জায়গায় দাঁড়িয়াবান্ধার চর্চা এখন সীমিত।

ছবি: সংগৃহীত

বৌচি: দম, গতি আর সতীর্থকে বাঁচানোর লড়াই

বৌচি বা বউচি গ্রামবাংলার পরিচিত লোকজ খেলাগুলোর একটি। এর প্রচলিত বিভিন্ন সংস্করণে খেলোয়াড়দের প্রতিপক্ষকে ছুঁয়ে নিরাপদে ফিরে আসা কিংবা অন্য দলের খেলোয়াড়দের বাধা অতিক্রম করার মতো লক্ষ্য থাকে। খেলাটির স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী দল ভাগ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দেওয়া, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সতীর্থকে সাহায্য করার মধ্যেই থাকে এর মূল আনন্দ।

বৌচির জন্য বিশেষ কোনো সরঞ্জাম প্রয়োজন হয় না। কয়েকজন খেলোয়াড় ও সামান্য ফাঁকা জায়গাই যথেষ্ট। এ ধরনের খেলা শিশুদের একসঙ্গে কাজ করা, নিয়ম মেনে চলা এবং প্রতিযোগিতার মধ্যেও দলীয় দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেয়।

ছবি: সংগৃহীত

কানামাছি: চোখ বাঁধা, তবু থামে না খোঁজ

‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যারে পাবি তারে ছোঁ’—শৈশবের পরিচিত এই ছড়ার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি জনপ্রিয় খেলা। কানামাছিতে একজন খেলোয়াড়ের চোখ কাপড় দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়। অন্যরা তাঁর আশপাশে অবস্থান করে। চোখ বাঁধা খেলোয়াড়কে শব্দ ও নড়াচড়ার সূত্র ধরে অন্য কাউকে খুঁজে বের করতে হয়।

খেলাটির আনন্দ ছিল অনিশ্চয়তায়। চোখ বাঁধা খেলোয়াড় কোন দিকে এগোবেন, কাকে ধরতে পারবেন কিংবা বন্ধুরা তাঁকে কীভাবে ফাঁকি দেবে—এসব নিয়ে তৈরি হতো হাসি আর উত্তেজনা। এ খেলায় বিশেষ কোনো উপকরণ লাগে না। কিন্তু খেলার জায়গা নিরাপদ হওয়া জরুরি, যাতে চোখ বাঁধা অবস্থায় কেউ পড়ে গিয়ে বা কোনো বাধায় ধাক্কা খেয়ে আহত না হন।

ছবি: সংগৃহীত

এক্কা-দোক্কা: মাটির কয়েকটি ঘরেই আনন্দ

মাটিতে কয়েকটি ঘর আঁকা, একটি ছোট পাথর বা টুকরা ছুড়ে দেওয়া, তারপর নির্দিষ্ট নিয়মে এক পায়ে লাফিয়ে ঘর পেরিয়ে যাওয়া—এভাবেই জমে উঠত এক্কা-দোক্কার আসর। অঞ্চলভেদে এক্কা-দোক্কা ও কুতকুত নামের ব্যবহার এবং খেলার নিয়মে পার্থক্য রয়েছে। কোথাও ঘরের নকশা আলাদা, কোথাও লাফানোর নিয়মও ভিন্ন।

খেলাটিতে ভারসাম্য বজায় রাখা, মনোযোগ ধরে রাখা এবং শরীরের নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। ছোট্ট একটি জায়গাতেই খেলা যায় বলে বাড়ির উঠান কিংবা স্কুলের মাঠ ছিল এর উপযুক্ত স্থান। একসময় বিশেষ করে পাড়ার শিশুদের মধ্যে এই খেলা বেশ পরিচিত ছিল। এখনো কোথাও কোথাও এর চর্চা থাকলেও অনেক শিশুর কাছে এক্কা-দোক্কা কেবল বড়দের মুখে শোনা পুরোনো দিনের গল্প।

ছবি: সংগৃহীত

লাটিম: সুতোর টানে ঘুরত রঙিন শৈশব

কাঠের তৈরি ছোট্ট লাটিমে সুতো পেঁচিয়ে মাটিতে ছুড়ে দেওয়ার মধ্যে ছিল এক ধরনের কৌশল। সঠিকভাবে ছুড়তে পারলে লাটিমটি দ্রুত ঘুরতে থাকত। কার লাটিম বেশি সময় ঘোরে, কে প্রতিপক্ষের লাটিমকে আঘাত করতে পারে—এমন নানা নিয়মে চলত প্রতিযোগিতা। লাটিম ঘোরানোর জন্য প্রয়োজন হতো হাতের নিয়ন্ত্রণ, অনুশীলন এবং সঠিক কৌশল। প্রথমবারেই সবাই সফল হতো না। বারবার চেষ্টা করতে করতে আয়ত্ত করতে হতো লাটিম ঘোরানোর দক্ষতা।

একসময় গ্রামীণ মেলা, হাট কিংবা পাড়ার খেলার আসরে লাটিম ছিল পরিচিত খেলনা। এখন আধুনিক খেলনা ও ডিজিটাল বিনোদনের বিস্তারে ঐতিহ্যবাহী কাঠের লাটিম অনেক জায়গায় আগের গুরুত্ব হারিয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত

হা-ডু-ডু: গ্রামবাংলার মাঠ কাঁপানো ঐতিহ্য

বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডির সঙ্গে গ্রামীণ হা-ডু-ডুর রয়েছে ঐতিহ্যগত সম্পর্ক। গ্রামবাংলায় এই খেলা একসময় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করত। দুই দলের খেলোয়াড়েরা নির্ধারিত মাঠে মুখোমুখি হতেন। একজন খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের এলাকায় ঢুকে কাউকে ছুঁয়ে নিজের এলাকায় ফিরে আসার চেষ্টা করতেন। অন্য দলের খেলোয়াড়েরা তাঁকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করতেন।

খেলাটিতে শক্তি, ক্ষিপ্রতা, কৌশল ও দলগত বোঝাপড়ার প্রয়োজন হয়। প্রতিপক্ষের এলাকায় প্রবেশ করে নিরাপদে ফিরে আসার মুহূর্তে মাঠজুড়ে তৈরি হতো উত্তেজনা। কাবাডি এখনো সংগঠিত প্রতিযোগিতায় খেলা হয়। তাই একে পুরোপুরি বিলুপ্তপ্রায় বলা ঠিক হবে না। বরং অনেক এলাকায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে গ্রামীণ হা-ডু-ডুর আসর কমে যাওয়ার বিষয়টিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রামবাংলার এসব খেলার গুরুত্ব কেবল শরীরচর্চা কিংবা সময় কাটানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এগুলো ছিল শিশুদের সামাজিকীকরণ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং লোকজ সংস্কৃতি শেখারও একটি মাধ্যম। দলগত খেলায় শিশুরা একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে শিখত, নিয়ম মেনে চলত এবং জয়-পরাজয়কে মেনে নেওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করত। অন্যের সঙ্গে সমন্বয় করা, নিজের ভুল বুঝতে পারা এবং আবার চেষ্টা করার সুযোগও তৈরি হতো।

এসব খেলা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করত। একই পাড়ার বিভিন্ন পরিবারের শিশুরা একসঙ্গে খেলতে গিয়ে পরস্পরের কাছাকাছি আসত। বয়স ও সামর্থ্যের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও অনেক খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। এ ছাড়া এসব খেলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল স্থানীয় ভাষা, ছড়া, নিয়ম ও সামাজিক রীতির নানা উপাদান। এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে এসব বিষয় ছড়িয়ে পড়ত মূলত মানুষের মুখে মুখে।

ফলে খেলাগুলো হারিয়ে যাওয়ার অর্থ শুধু কয়েকটি বিনোদনের মাধ্যম হারানো নয়; এর সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে লোকজ জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক স্মৃতিরও একটি অংশ।

সময় বদলাবে, প্রযুক্তি এগোবে, মানুষের জীবনযাত্রাও পরিবর্তিত হবে। নতুন বিনোদনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু নতুনকে গ্রহণ করতে গিয়ে নিজেদের ঐতিহ্যকে ভুলে যাওয়া জরুরি নয়। যে খেলাগুলো একসময় গ্রামের মাঠে হাসি, আনন্দ আর প্রতিযোগিতার আবহ তৈরি করত, সেগুলোর অনেক কিছুই এখনো ফিরিয়ে আনা সম্ভব। গোল্লাছুট খেলতে দামি সরঞ্জাম লাগে না, এক্কা-দোক্কার জন্য বড় মাঠের প্রয়োজন নেই, আর কানামাছি খেলতে লাগে শুধু কয়েকজন বন্ধু ও নিরাপদ একটি জায়গা।

প্রয়োজন শুধু একটু উদ্যোগ, কিছুটা সময় এবং আগ্রহ।

আজকের শিশুরা যদি দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানির মুখে এসব খেলার গল্প শোনে, স্কুলের মাঠে সেগুলো খেলার সুযোগ পায় এবং নিজেদের আনন্দের অংশ করে নেয়, তাহলে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য আবারও নতুন প্রাণ পেতে পারে।

কারণ গোল্লাছুট, ডাংগুলি কিংবা কানামাছি শুধু কয়েকটি খেলার নাম নয়। এগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের শৈশব, সামাজিক সম্পর্ক এবং গ্রামবাংলার সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। সেই উত্তরাধিকার বাঁচিয়ে রাখা মানে শুধু অতীতকে স্মরণ করা নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য আনন্দময় ও প্রাণবন্ত শৈশবের নতুন সুযোগ তৈরি করা।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]