টেনিস কোর্টে একের পর এক কীর্তি গড়েছেন তিনি। এবার ভারতীয় টেনিসের প্রশাসনে নতুন ইনিংস শুরু করার পথে কিংবদন্তি তারকা সানিয়া মির্জা। সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থা (এআইটিএ)-র ‘স্পোর্টস পার্সন অব আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট’ (এসওএম) নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। আগামী ৭ নভেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
একসময় মহেশ ভূপতির সঙ্গে জুটি বেঁধে মিক্সড ডাবলসে সাফল্য পেয়েছিলেন সানিয়া। এবার সেই ভূপতির সঙ্গেই তাঁকে দেখা যেতে পারে ক্রীড়া প্রশাসনের ময়দানে। ভারতীয় টেনিসের দুই পরিচিত মুখের এই পদক্ষেপ দেশের টেনিস প্রশাসনে প্রাক্তন খেলোয়াড়দের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ।
তবে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দেখা যাচ্ছে না ভারতীয় টেনিসের আর এক কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজকে। বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশন তাঁর প্রার্থিতাকে সমর্থন করলেও এসওএম বিভাগে মনোনয়ন জমা দেননি পেজ। পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় ক্রীড়া প্রশাসনের নতুন আইন ও বিধিতে নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত তাঁর প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সংস্থার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য রাজ্য সংস্থার পদাধিকারী হিসেবে অন্তত এক মেয়াদ দায়িত্ব পালনের শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত পূরণ না হওয়ায় এসওএম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করা প্রয়োজন ছিল তাঁর।
সানিয়া ও ভূপতি ছাড়াও এসওএম নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আরও ছয়জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অঙ্কিতা ভাম্বরি, আশুতোষ সিং, গৌরব নাতেকর, জানকী কৃষ্ণমূর্তি, শালিনী ঠাকুর চাওলা ও বিশাল উপ্পল। সব মিলিয়ে আট প্রাক্তন খেলোয়াড় এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন।
এআইটিএ-র সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এসওএম বিভাগ থেকে চারজন প্রতিনিধি সাধারণ পরিষদে জায়গা পাবেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন পুরুষ ও দু’জন মহিলা থাকবেন। পাশাপাশি, ১৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটিতেও এসওএম বিভাগ থেকে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
খেলোয়াড়ি জীবনে একাধিক আন্তর্জাতিক সাফল্যের অধিকারী সানিয়া মির্জার কাছে এই নির্বাচন তাই নতুন অধ্যায়ের হাতছানি। ৭ নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়ে ভারতীয় টেনিসের প্রশাসনে জায়গা করে নিতে পারেন কি না, এখন সেদিকেই নজর থাকবে ক্রীড়ামহলের।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর