ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে পুরোপুরি পরাজিত না করা পর্যন্ত তারা পিছু হটবে না। ১৯৯০ সালে ইরাক থেকে ইরানি যুদ্ধবন্দিদের দেশে ফেরার বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক বাহিনী এ কথা জানায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) আল জাজিরা জানিয়েছে, বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিরোধের যে ঐতিহ্য তা ইরানের নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে গেছে। এই প্রজন্ম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রসজ্জিত সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, শত্রুপক্ষ আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত দেশটির বৈধ অধিকার এবং নেতৃত্বের দাবিগুলো বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত বিবৃতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি জনগণের সমর্থনের প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে আগ্রাসন ও মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তারের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চলতি বছরের ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলি খামেনি এবং জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডারদের হত্যা করার মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে।
এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। পরে ১৭ জুন দুই দেশ একটি চুক্তিতে সই করে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করে। তবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতবিরোধের কারণে পরে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে।
৮ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ফের সামরিক হামলা-পাল্টা হামলা হয়। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করে।
সূত্র: আল জাজিরা।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর