• ঢাকা
  • ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২২ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:৪৮ দুপুর

জামায়াতের ইশতেহার কি আশু ইতিহাস বিকৃতির লক্ষণ?

লেখক: মেহেদী হাসান মানিক

রাজনীতির মাঠে কখনো ভুলে, রাগে, আবেগে, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় অনেক কথাই নেতারা বলেন কিন্তু যখন নির্বাচনী ইশতেহারে কোন দল কিছু বলে তখন সেটা তাদের পরিকল্পনা ও দলীয় নীতি বলেই মনে করা হয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইশতেহার ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ইশতেহারে শিক্ষার্থীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার কথা বলেছে দলটি যদিও সেই সময়ে তারা সচেতনভাবেই গণমানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রপত্রিকায় জামায়াতের নেতাদের বক্তব্য দেখলে স্পষ্ট বুঝতে পারা যায়, তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ভারতের কূটনৈতিক ও সামরিক ষড়যন্ত্রের অংশ মনে করত। একাত্তরে তারা পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার নামে, পাকিস্তানি সেনাদের দোসর হিসেবে বাংলার মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। স্বাধীনতাকামী মাত্রই তাদের কাছে ‘গাদ্দার’ বলে বিবেচিত হতো। খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া ও ফসল নষ্ট করাসহ এমন কোন অপরাধ বাকি ছিল না যে জামায়াতের লোকেরা সে সময়ে করে নাই।

আজ থেকে দশ বছর পরে আওয়ামী লীগ যদি ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস নতুন করে লিখতে চায় তবে সেটা কেমন হতে পারে? উত্তরটা আপনার অনুসন্ধানী মনকে জিজ্ঞাসা করবেন। যাইহোক, প্রায় অর্ধ শতাব্দী পরে এসে মুক্তিযুদ্ধের মত মীমাংসিত বিষয় নিয়ে কোন পরাজিত শক্তি যদি নতুন করে ইতিহাস লিখতে চায় বা তুলে ধরতে চায়, তবে সেখানে সংশয়ের যথেষ্ট কারণ থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে সুবিধাজনক সময় পার করছে। ক্ষমতার কাছাকাছিতে থাকা কালে দলটির নেতাকর্মীদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু মন্তব্য তুলে ধরা যাক।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে একটি গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা তিন লক্ষ বলা শুরু করল! বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণিতে দুর্বল ছিলেন, তাই তিনি তিন লক্ষকে ভুলে তিন মিলিয়ন বা ত্রিশ লক্ষ বলেছিলেন, এই বয়ান প্রতিষ্ঠিত করতে কুতর্কে ব্যস্ত হয়ে পড়ে মহলটি। অনেকেই মনে করেন মহলটি জামায়াতের উদ্দেশ্য বস্তবায়নে লিপ্ত। ছাত্রশিবিবের একটি প্রকাশনায় ২০২৫ এর ফেব্রুয়ারিতে ছাপা হয়েছিল, ১৯৭১ সালে দেশে একটা গন্ডগোল হয়েছিল! যারা ভুল করে ’৭১-এ যুদ্ধ করেছিল, তাদের তওবা পড়া উচিত!

সমালোচনার মুখে লেখাটি প্রত্যাহার করা হলেও তার কয়েক মাস পর, ২০ অগাস্ট ২০২৫ তারিখে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে বিমান হাইজ্যাকার বলে ফেইসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন ওই ছাত্রসংগঠনের আরেক নেতা। তাকে সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছিল, পরে অবশ্য, সমালোচনার মুখে তাকে প্যানেল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০ অগাস্ট ছিল মতিউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী।

চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আয়োজিত যুব শোভাযাত্রায় বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে মুজিব বাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ ক্র্যাকডাউন চালায়। ওদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে আয়োজিত এক সেমিনারে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম মন্তব্য করেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্বাধীনতা–পরবর্তী সময়ে লেখা ইতিহাসের একটি বড় অংশ ‘মিথ্যা বয়ান দিয়ে লেখা হয়েছে’। আবার, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতি আমির হামজা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা ইতিহাসের ১০০ ভাগের মধ্যে ৯০ ভাগই মিথ্যা।

চট্টগ্রামে আয়োজিত এক সমাবেশে ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘আপনাদেরই এক গর্বিত সন্তান সবার আগে চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন ‘উই রিভোল্ট’। তিনি হচ্ছেন এলডিপি’র সম্মানিত সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম। জিয়াউর রহমান সাহেবকে হাতে ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।’’ সেদিন জিয়াউর রহমান কিভাবে সামনে এগিয়ে গিয়েছিলেন সেটা যেমন আমরা দেখিনি তেমনি অলি আহমদ কোথায় কিভাবে চিৎকার করেছিলেন সেটাও আমরা শুনিনি। দেশবাসী চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ ১৯৭১ তারিখে জিয়াউর রহমানের কন্ঠই শুনেছিল।

উপরের বিষয়গুলো ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রীক নানান বিতর্কিত ও অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করতে দেখা যায়। যাইহোক, ২৭ মে ২০২৫ তারিখে ’৭১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম এজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাসের রায়ের পরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা প্রথম জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছিল। এরপরে ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান নিউইয়র্কে আয়োজিত একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ১৯৪৭ সাল থেকে আজ অবধি সকল ভুল কাজের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চান।

মৌখিক ক্ষমা চাওয়ার চেয়েও অন্তরের অনুতাপ এবং কাজে-কর্মে ও আচরণে সেই অনুশোচনার বহিঃপ্রকাশ ঘাটানো বেশি জরুরী। আমাদের ইসলাম ধর্মে তওবা করার তিনটি ধাপ রয়েছে- যার অতি গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি হল “অতীতের গুনাহের উপর অনুতপ্ত হওয়া।” অনুতাপ তো দূরেই থাক আজ পর্যন্ত তারা দলীয়ভাবে অপরাধ স্বীকার করে নাই। একাত্তরের ঘৃণ্য ও জঘন্য অপরাধকে তারা রাজনৈতিক ভুল বলে। অপরাধ ও ভুল সমার্থক শব্দ হলেও এদের কূটনীতিক ও রাজনৈতিক প্রয়োগ বা ব্যাখ্যা এক নয়।

একদিকে জনসভায় মৌখিক ক্ষমা চাওয়া, অন্যদিকে কথায় ও লেখনীতে বিতর্কিত মন্তব্য! এই স্ববিরোধী আচরণ কিসের লক্ষণ? প্রকাশ্য়ে ঘটমান বাস্তব ঘটনাগুলো কি কোন রাজনৈতিক ও আদর্শিক ইংগিত বহন করে না? এই বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে যখন তারা নির্বাচনী ইশতেহারে বলছে যে সামনে সরকার গঠন করতে পারলে, শিক্ষার্থীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে, তখন বোঝাই যায় যে তারা সরকার গঠন করলে দেশের ইতিহাস বিকৃতি কোন পর্যায়ে হতে পার।

অনেকে মনে করতে পারেন, ইতিহাস বিকৃতিতে কি আসে যায়? এগুলো দিয়ে কি আর বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধান করা যাবে? কিন্তু রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যার অন্যতম মূল কারণ এই ইতিহাস বিকৃতি। বস্তুত, ইতিহাস বিকৃতি একটা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ। সকল যুদ্ধই শুরু হয় এই মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের মাধ্যমে। প্রথমে, মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, তারপরে ঝগড়াঝাঁটি, এতপর মুখোমুখী সংঘর্ষ এবং অবশেষে ছোট বা বড় যুদ্ধ।

পৃথিবীর একটা দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে ইতিহাস বিকৃতি করার পরেও সামাজিক, রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক বিপর্যয় হয় নাই। একটা উন্নত দেশ খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন, যারা নিজ দেশের জন্মের ইতিহাসকে অস্বীকার করেছে বা বিকৃতি করেছে। অবশ্যই, পাবেন না।

একশত কোটিরও বেশি জনসংখ্যা এবং বিশাল সমৃদ্ধ ভূমি ও প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও, আফ্রিকা মহাদেশ এখনও দরিদ্র। কিন্তু কেন? আফ্রিকার দারিদ্রতার পিছনে একটা বড় কারণ হল, বিভিন্ন জাতি ও উপজাতির মধ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্ট যুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধ। অনুমান করা হয় যে প্রতিটি যুদ্ধে গড়ে একটি দেশের প্রায় ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৪০-২০০০ সাল পর্যন্ত ৩৪টি এই ধরনের সংঘাত ঘটেছে, যেখানে আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় ঘটেছে ২৪টি সংঘাত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ৬০ বছরে আঞ্চলিক সংঘর্ষে আমাদের দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয়! পৃথিবীব্যাপী এই সংঘাতগুলোর অন্যতম মূল কারণ হল, ইতিহাস বিকৃতি।

যাইহোক, ১৯৭১ সালের পরাজিত জামায়াতকে আজকের অবস্থায় টেনে আনার দায় কে এড়াতে পারে? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের ক্ষমা করে দিলেন, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আরকে ধাপ এগিয়ে গিয়ে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দিলেন। শেখ হাসিনা আরেক ধাপ এগিয়ে গিয়ে জোটবদ্ধ আন্দোলন করলেন। বেগম খালেদা জিয়া আরেক ধাপ এগিয়ে গিয়ে মন্ত্রী বানালেন। গত ১৫ বছরে, শেখ হাসিনা সরকার বিএনপিকে নিঃশেষ করার জন্য যাবতীয় চেষ্টা করলেও জামায়াতের অনেকেই আওয়ামী লীগের ভিতরে গুপ্ত অবাস্থায় থেকে ক্ষমতা ভোগ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরকে শত্রু বানালেও, জামায়াত কখনো সুপ্ত, কখনো গুপ্ত, কখনো ডান ঘাটে, কখনো বাম ঘাটে, এভাবে সকল সময়ই তারা ক্ষমতার কাছেই ছিল বলা চলে।

অন্যদিকে, কওমী ঘরানার আলেমদের শত বছরের আদর্শ, দারুল উলুম দেওবন্দকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক আসন্ন ২০২৬ এর জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সাথে জোট বদ্ধ হলেন। একদিকে কিছু কওমী আলেম জামায়াতের সাথে জোট বদ্ধ হয়েছেন, অন্যদিকে জামায়াত তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে কওমী মাদ্রাসার সিলেবাস পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। যদিও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকসহ দেশের অনেক শীর্ষস্থানীয় কওমী আলেমগণ জামায়াতের বিরোধীতা করছেন। কিন্তু মামুনুল হকরা কি আদর্শ বিসর্জনের দায় এড়াতে পারবেন?

আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বিগত দিনের রাজনৈতিক ব্যর্থতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে জামায়াত আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে একটা মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলছে, “সবাইকে তো দেখলেন এবার আমাদের একটু দেখেন।” কিন্তু এই তিন রাজনৈতিক দলের আগে ১৯৭১ সালেই যে তাদের দেখা হয়েছে; এই কথা কে কাকে বলে? বিষয়টা এমন যে খুন করার অপরাধে এক খুনির হাত আপনারা কেটে নিলেন কিন্তু ৩০ বছর পরে সেই খুনি তার আচরণগত পরিবর্তন না করেই দুই ব্যক্তির হাতাহাতি দেখে বলছে; আহ! আজ যদি আমার হাত থাকত তবে আমি এই হাতাহাতি বন্ধ করতাম! এখন সেই পুরাতন খুনির খারাপ আচরণ দেখেও শুধুমাত্র মৌখিক মিষ্টি ভাষায় ভেসে গিয়ে, তার হাত মেরামত করে শক্ত করবেন নাকি প্রত্যাখ্যান করবেন, সে সিদ্ধান্ত আপনাদের। আমরা বড়জোর আশু ভালো-মন্দ সম্পর্কে সচেতন করতে পারি।

লেখক: মেহেদী হাসান মানিক
শিক্ষা সম্পাদক, হিউম্যান এইড এন্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল
সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক, এসিআই ফার্মা

(খোলা কলাম বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বিডি২৪লাইভ ডট কম- এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]